সন্দীপ বসু- সাল ১৭৬৭। দুর্গাপুজোর দশমীর দিন। ঘামে ভিজে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন ১৫ জন বলিষ্ঠ গোয়ালা। কিন্তু তা সত্ত্বেও একচুল নাড়াতে পারেনি কাশীর মদনপুরার মুখোপাধ্যায় পরিবারের বাড়ির দুর্গাপ্রতিমাটি। দড়ি দিয়ে টেনেও ছয় ফুটের একচালা মাটির প্রতিমাকে সরানো যায়নি কোনওভাবেই।কথিত রয়েছে, সেদিন রাতে পরিবারের কর্তা কালীপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নে আবির্ভূত হয়েছিলেন মা দুর্গা। জানিয়েছিলেন, তিনি কাশীবাসীর সঙ্গে চিরকাল […]readmore
Tags : Sandip Bose
সন্দীপ বসু- বীজগণিতীয় সংখ্যাতত্ত্বে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স ‘আইআইএসসি’-এর অধ্যাপক ও ভারতীয় গণিতবিদ মহেশ কাকড়ে উন্নয়নশীল দেশগুলির তরুণ গণিতবিদদের জন্য ২০২৬ সালের রামানুজন পুরস্কার লাভ করেছেন।ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরেটিক্যাল ফিজিক্স বা ‘আইসিটিপি’ এবং ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথমেটিক্যাল ইউনিয়ন বা ‘আইএমইউ’ যৌথভাবে এই পুরস্কারটি প্রদান করে। উন্নয়নশীল দেশগুলির তরুণ গবেষকরা অসাধারণ গবেষণা করে চলেছেন […]readmore
নয়াদিল্লি: রেললাইনের ধারে হাতির পাল, সে দিকে এগিয়ে আসছে ট্রেন। এই অবস্থায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ ঠেকাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই–ই কি শেষ ভরসা? উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল এ বছর জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রযুক্তি–নির্ভর নজরদারি, সতর্কবার্তা এবং বন দফতরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ২৫৭টি হাতিকে ট্রেনের সঙ্গে তাদের সম্ভাব্য সংঘর্ষ থেকে রক্ষা করা গিয়েছে বলে জানিয়ে তেমনই বার্তা […]readmore
ঝাড়গ্রাম (পশ্চিমবঙ্গ): নেই দশহাতের দুর্গার মৃন্ময়ী মূর্তি, জাঁকজমক। জমকালো উৎসব, আলোর ঝলকানি, মণ্ডপের ভিড়—এই চেনা ছবির বাইরে গিয়েও শারদোৎসব হতে পারে। তারই নজির পশ্চিমবঙ্গের সাঁকরাইলের পাথরকাটি গ্রামের পিতলকাটি জয়চণ্ডী মন্দির।এখানে নেই দুর্গার কোনও প্রতিমা। নেই মৃৎশিল্পীর তুলির টানও। মন্দিরে থাকা একটি পাথরই দেবী জয়চণ্ডী হিসেবে পূজিত। শারদীয়ার সময়ে সেই দেবীকেই দুর্গারূপে আরাধনা করেন লোধা-শবর সম্প্রদায়ের […]readmore
সন্দীপ বসু- বাগবাজার সর্বজনীনের পুজো কলকাতার সবচেয়ে পুরোনো সর্বজনীন দুর্গাপুজোগুলির মধ্যে একটি। ১৯১৯ সালে বাগবাজারের বাসিন্দারা প্রথম এই পুজোর আয়োজন করেছিলেন। প্রথমবার পুজো হয়েছিল নেবুবাগান লেন ও বাগবাজার স্ট্রিটের সংযোগস্থলে সরকার হাউসে। সেই সময় এই পুজোর নাম ছিল ‘নেবুবাগান বারোয়ারি দুর্গাপূজা’। তারপর তিন বছর সরকার হাউসেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল পুজো।১৯২৪ সালে পুজো সরে আসে বাগবাজার স্ট্রিট […]readmore
রামপুরহাট (পশ্চিমবঙ্গ): আগুনের লেলিহান শিখা, লাল টকটকে লোহা আর হাতুড়ির একের পর এক ঘা। দুর্গাপুজোর আগে এই শব্দেই এখন সরগরম পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাটের খরুণ গ্রাম। রাত-দিন এক করে ঐতিহ্যবাহী খাঁড়া তৈরিতে ব্যস্ত গ্রামের কারিগররা। একসময় গ্রামের গণ্ডি পেরোত না তাঁদের তৈরি খাঁড়া। এখন মোবাইলে অর্ডার আসছে, আর কুরিয়ারে সেই খাঁড়া পৌঁছে যাচ্ছে দেশের একাধিক […]readmore
সন্দীপ বসু- উমার ত্রিনয়ন ফুঁড়ে যেন অনর্গল নীল জ্যোতি ঠিকরে বেরোচ্ছে। আর তাঁর হাতে ধরা নীলাভ রশ্মির ত্রিশূলের ফলায় বিদ্ধ হয়ে পরিহিত মহিষাসুরের চোখ রক্তরঙা লাল। আর আকাশি রঙের মহাকাশ জুড়ে দর্শকদের মাথার উপর বনবন করে ঘুরছে সুদর্শন চক্র। মণ্ডপের ভিতরে নিখুঁত রোবটিক সজ্জায় রুপোলি রঙের শাড়ি পরনে দেবী দুর্গা। আর সেই মহাকাশের মণ্ডপে বিচিত্র […]readmore
নিজস্ব সংবাদদাতা- হাতে থাকবে না মোবাইল। গঙ্গার হাওয়া এসে ভিজিয়ে দেবে সকাল। চারপাশে পরিচিত বাংলা বা হিন্দি নয়—কানে ভেসে আসবে সংস্কৃত শব্দ। ‘কথং ভবতি?’, ‘কুত্র গচ্ছসি?’, ‘ভোজনং কৃতবান্?’ এভাবেই সংস্কৃতে চলবে গল্প, আড্ডা, আলোচনা, এমনকি অবসরের কথাবার্তাও।হালিশহরের নিগমানন্দ মঠেই বসছে সাত দিনের ‘প্রবোধন বর্গ’ শিবির। আয়োজনে সংস্কৃতভারতী। ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই […]readmore
সন্দীপ বসু শারদোৎসব মানে সাজেরও মহাপার্বণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যেমন দুর্গাপুজোর আঙ্গিকে বদল এসেছে, পুজো ফ্যাশনেও তাই। অতীতে পুজোয় বাঙালিকে সাজাত শহরের পোশাকের দোকান আর গ্রামের হাটগুলি। সেখানেই মিলত পছন্দমতো শাড়ি, জামা, জুতো। সঙ্গে স্নো, পাউডার, পমেটম, কাজল, সেন্ট।আটপৌরে বাঙালির গন্তব্য ছিল বড়বাজার। আর পকেটের জোর থাকলে স্টাইলিশদের জন্য ছিল নিউ মার্কেট। এসব হিসাব এখন […]readmore
কলকাতা, ২ অক্টোবর- কলকাতা জোড়াসাঁকোর শিবকৃষ্ণ দাঁ বাড়ির পুজো এবার ১৮৭ বছরে পা দিল। এই বাড়ির পুজো ঘিরে আছে নানা কাহিনি। কথিত, দুর্গা মর্তে এসে দাঁ বাড়িতে যান গয়না পরতে। পরে যান অন্যান্য ভক্তের কাছে।শোনা যায়, শিবকৃষ্ণ দাঁর বাড়িতে দুর্গাকে পরানোর জন্য একসময় ফ্রান্স ও জার্মানি থেকে অলঙ্কার ও পোশাক আসত। সে কাপড়ে বসানো থাকত […]readmore