মৌসুমী ভট্টাচার্য পূজো আর নববর্ষের আগে পোশাক কেনার সঙ্গে জুতো কেনারও হুজুগে মাতে লোকজন। মহিলাদের ম্যাচিং শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং জুতো। সালোয়ার কুর্তার সঙ্গে এই জুতো, শার্ট প্যান্ট পরলে পা ঢাকা কাপড়ের দামী জুতো। মানাক না মানাক, পরতে হবেই। অষ্টাদশী মেয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আটচল্লিশ কি পঞ্চান্ন-এর মধ্যবয়সিরা মেতে ওঠে। মেয়েই সবচেয়ে বন্ধু। মেয়ের হাত ধরে […]readmore
Tags : Basab Maitra
ধৃতিরূপা দাস শম্ভূমিকা! চমৎকার শব্দ গড়লেন সম্পাদক সাম্য রাইয়ান। প্রায় চার বছরের শ্রমলব্ধ ‘বিন্দু’র কাজ— ‘শম্ভু রক্ষিত : পাঠ ও বিবেচনা’। সংকলনটিতে লিখছেন কালীকৃষ্ণ গুহ, অসীমকুমার বসু, দীপঙ্কর সেন, যশোধরা রায়চৌধুরী, সব্যসাচী মজুমদার, শ্যামল রক্ষিত, সুবীর সরকার, ধীমান ব্রহ্মচারী, তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সুব্রত ঘোষ, চন্দন দাস, বেবী সাউ, শিবাশিস দত্ত, সুনীল মাজি, নিতাই জানা, বুদ্ধদেব […]readmore
সুদীপ পালরাত দুটোর সময় পিয়ালী আমায় ফোন করল। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলাম। মোবাইল ডিসপ্লেতে ছবিসহ পিয়ালীর নাম দেখে ধড়ফড় করে বিছানায় উঠে বসলাম। এর কারণ, আমার পাঁচ বছরের মোবাইল জীবনে কোনো যুবতী রাতদুপুরে ফোন করেনি। তাই কিছুটা আতঙ্কিত, কিছুটা পুলকিত।পিয়ালী ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। শিশুদের মতো না-থামা কান্না। থামছেই না। আমি থামাতে চেষ্টা করলাম। যতবার […]readmore
দেবযানী ঘোষ সুতপা দাসের ‘নিম পাতার ঝোল অথবা কাসুন্দি’ উপন্যাসটি পড়লে মনে হয় উপন্যাস নয়, কোনো কবিতা পড়ছি। ভাষা এবং বর্ণনার কাব্যধর্মিতার শব্দে বাইরের কোলাহলকে ছাড়িয়ে ভিতরের বৃষ্টিপাতের আওয়াজ শোনা যায়। কাহিনিকে গুরুত্বহীন করে দিয়ে এক কাব্যিক আচ্ছন্নতা ঘিরে ধরে কুয়াশার মতো। পড়তে পড়তে মনে ভেসে ওঠে বহুকাল আগে পড়া ‘খোয়াবনামা’-র কথা। মনকথা লিখেছে উপন্যাসের […]readmore
সৌম্য ঘোষ সে এক শহর ছিল, স্মৃতির শহর। অদ্ভুত শহর। সেখানে অদ্ভুতভাবে মানুষেরা মিলেমিশে থাকত। তরঙ্গহীন, নিরুপদ্রব জীবন ছিল সে শহরের, এবং মানুষদের। আচমকাই একদিন সেই শান্ত শহরে ঝড় উঠল। ছড়িয়ে পড়ল এক মারাত্মক এপিডেমিক। কোভিডের থেকেও দশগুণ বেশি মারাত্মক। প্রাণঘাতী নয়, এই ভাইরাস আক্রমণ করে মানুষের মস্তিষ্ককে। আগে এই শহরের মানুষেরা হাসিখুশিভাবে মিলেমিশে থাকত। […]readmore
গোপা রায় আমি নারী।কোনো সম্পর্কের পরিচয়ে নই,নই শুধু কন্যা, কারো জননী, কারো প্রেয়সী হয়ে। আমি নিজেই একটি পূর্ণ বাক্য,যার উচ্চারণে ভাঙে শতাব্দীর নীরবতা। আমি নারী।যে হাত শুধু শাঁখা সিঁদুরে এয়োবতী হয়ে জুড়ে থাকত সংসারের পরমায়ু প্রার্থনায়, যে হাত শুধু পরিমিত স্বপ্নে নিকোনো উঠোনে সাজাতো বেঁচে থাকার আলপনা। সেই হাতে আজ মহাকাশযানের বিজ্ঞান,দেশের ভবিষ্যৎ, জাতির সম্মান। […]readmore
সুদর্শনা চক্রবর্তী আশির দশকের শেষাশেষি, একেবারেই বালিকা এক মেয়ে। তাঁদের মধ্যবিত্ত বাড়ি। সেই বাড়িতে মধ্যবিত্ত সংসারের টুকিটাকি। একটা রেডিও, একটা রেকর্ড প্লেয়ার। রাত্রিবেলা সেই সব লোডশেডিং-এর সন্ধ্যা-রাতে রেডিও চালালে শোনা যেত, “আপ সুন রহে হ্যায় বিবিধ ভারতী”…। আর তারপর কোনো এক আশ্চর্য দেশ থেকে ভেসে আসত অদ্ভূত সব সুর। বালিকা কেমন যেন বেভুল হয়ে যেত। […]readmore
গোপা রায় আমাদের কোনো বসন্ত নেই।ঘুম থেকে উঠে সকাল সকাল মা উনুন ধরায়।শুকনো ডালপালা কুড়িয়ে আনে বাড়ির পাশের ঘন ঝোপের জঙ্গল থেকে।তোমাদের টেবিলে যখন ফলের জুস, স্যালাড আর বাটার টোস্ট,আমাদের তখন আগের দিন রাতে জল দিয়ে রাখা পান্তা ভাত, লঙ্কা আর এক টুকরো পেঁয়াজ,সেটাও জোটে বাজারদর দেখে।সাদা ভাত আমাদের স্বপ্ন।ঐ রাস্তার মোড়ে বাঁদিকে একটা খাবারের […]readmore
লক্ষ্মণ কুমার ঘটক “এই যে বালকের চোখ অবাক,এই যে বুঝতে পারে সে,এই যে চারপাশে এতো চিল চিৎকার,ডিজে আর মানুষে,কেউ কি নেই তাঁদের না করতে পারে,কেউ কি নেই বুঝিয়ে বলার,এত আওয়াজে পৃথিবীর কষ্ট হয়।“ সভ্যতার দ্রুতগতির ডামাডোলে এখন অবাক হওয়াটাই অবাক করে দেওয়ার মতো। চারপাশে এত এত বিবমিষা, সুস্থ চিন্তা করাই যেন অসুস্থতার লক্ষণ। তবুও মানুষ […]readmore
শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ফ্ল্যাটে ঢুকে ডাইনিং টেবিলের ওপর রাতের জন্য বাইরে থেকে কিনে আনা খাবারের প্যাকেটটা রেখে সোজা বাথরুমে ঢুকে যায় আম্পিউট সার্জেন্ট ডক্টর পরিতোষ গাঙ্গুলী। বাথরুমে গিয়ে স্নান করে ফ্রেশ হয়ে এসে কিনে আনা খাবারের প্যাকেটটা নিয়ে কিচেনে মাইক্রোওভেনে গরম করে সেটা তড়িঘড়ি গলাধঃকরণ করে সোজা বিছানায় গিয়ে লেপ মুড়ি দিলেন তিনি। আজকে শীতটা একটু […]readmore