বুধবার | ২০ মে ২০২৬

Tags : Basab Maitra

সাহিত্য - সংস্কৃতি

কবিতা : ভাবনার এফোঁড় ওফোঁড়

সঞ্চিতা রাহাসোনালি সকালে একরাশ ফুটন্ত গোলাপ!আমি ভাবতে চাই।ঝাঁক ঝাঁক পাখির উড়ন্ত প্রচ্ছায়া, খোলা রোদ্দুর—আমাকে ভাবতে বলে।বাতাসের নীল পোশাক ফুঁড়েঅবিরল প্রেমের ধারা।হাজারো পাহাড়ি পথ মাড়িয়েকোনো এক অজান্তেই মরণপিয়াসী ডুব!অগুনতি হাহাকার আর আর্তচিৎকারআঁকাবাঁকা পথ চলতে চলতেই প্রতিধ্বনিত হয়!প্রতিধ্বনিত হয় উৎসের প্রতি নিদারুণ মোহে!পৃথিবী ছিঁড়ে হৃদয়টা কি উড়ে যেতে পারে…পারে না!হাতে হাত ধরে হেঁটে চলে যাওয়া রেলপথ,কত কাছাকাছি […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

পুস্তক পর্যালোচনা : ভুবন ডাঙা : একটি সম্ভাবনাময় সৃষ্টির ক্ষুদ্র

(লিটল ম্যাগ/শারদ সংখ্যা পর্যালোচনা) সুদীপ পালসাংস্কৃতিক বিপন্নতায় আজ খোয়াই। শারদ আবহে অনুপস্থিত মননের সেই নান্দনিক চর্চা। দিনগত পাপ ক্ষয়, যেন টেনেটুনে সাহিত্যচর্চাকে একটু এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়াস। সর্বত্রই আজ পাবলিসিটির স্টান্টবাজি। খোয়াইতে এই ব্যাধি মারাত্মক। লেখা নয়, মুখ দেখানোই আসল উদ্দেশ্য। তাই মুখ ঢেকে যায় লেখার জঞ্জালে।খোয়াই জেলা গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারিক জহরলাল দাসের সম্পাদনায় এবছর প্রকাশিত […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

গল্প : কথোপকথন

নন্দিতা ভট্টাচার্য্য (চক্রবর্তী) –বুঝলেন মশাই আজ্ঞে–বলছি যে আজ্ঞে না।–কী? কিছু না।–কিছু না মানে? মানে কিছুই বুঝিনি।–আহা বোঝা না বোঝার মতো হলোটা কী! ওই যে আপনি বললেন–কী মুশকিল! আমি তো কিছুই বলিনি মশাই। আরে, ওই যে বললেন–কী বললাম? সেটাই। বলেননি তো–তাই তো। বলিনি তো কিছু। আমিও তো তাই বলছি যে–আপনি বলবেন? আমি বললাম না এখনও, আর […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

পুস্তক পর্যালোচনা : সেলিমের দশম কবিতা পুস্তিকা কাপুরুষ আমি, মরে

কিশোর রঞ্জন দে এই কবির যাত্রাপথ দীর্ঘ। যাত্রাপথ লাবণ্যধর্মী। এটি কবির দশম কবিতা পুস্তিকা। তার নিজের ভাষায়— ‘আমার এই হাওয়ার মিনার।’ উৎসর্গে উচ্চারণ করা হয়েছে সদ্যপ্রয়াত আমাদের হৃদয়ের কবি শঙ্খপল্লব আদিত্যের নাম। মন-মনন-বোধে আলো পড়তে শুরু করেছে প্রথম থেকেই।১) ‘নিমগাছটা মরে গেল। অনেক উঁচু হয়েছিল। মরা ডালগুলো এখনো ছড়িয়ে রয়েছে ডিসেম্বরের আধো-আধো মেঘলা আকাশে, যেন […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

কবিতা : ঘর ছাড়া

সুমিতা চক্রবর্তী (ভট্টাচার্য) নিশিথ রাতের নীরব আকাশবকুল বিছানো ছায়।চাঁদ বুড়ি তার মায়া ছড়াইতভরপুর জোছনায়। ঘর ছাড়া এই পাগলিটাকেআগলালে বুক জুড়ে।ছন্নছাড়া দিক হারা মেয়েযায় নাই আর ফিরে। দূর পানে চেয়ে খুঁজে ফিরে মেয়েশৈশব কৈশোর।আধো ঘুমে বোজা মায়ের দু’চোখচৈতি তপ্ত দুপুর। দিনে দিনে বুকে জমা হতে থাকেঅসংখ্য নোনা ঢেউ।গাঢ় থেকে গাঢ় আঁধার ঘনায়আজ বুঝি নেই কেউ। চাঁদ […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

গল্প : প্রায়শ্চিত্ত

মৌসুমী ভট্টাচার্য পূজো আর নববর্ষের আগে পোশাক কেনার সঙ্গে জুতো কেনারও হুজুগে মাতে লোকজন। মহিলাদের ম্যাচিং শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং জুতো। সালোয়ার কুর্তার সঙ্গে এই জুতো, শার্ট প্যান্ট পরলে পা ঢাকা কাপড়ের দামী জুতো। মানাক না মানাক, পরতে হবেই। অষ্টাদশী মেয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আটচল্লিশ কি পঞ্চান্ন-এর মধ্যবয়সিরা মেতে ওঠে। মেয়েই সবচেয়ে বন্ধু। মেয়ের হাত ধরে […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

পুস্তক পর্যালোচনা : শম্ভু রক্ষিত ক্রোড়পত্র : বিন্দু

ধৃতিরূপা দাস শম্ভূমিকা! চমৎকার শব্দ গড়লেন সম্পাদক সাম্য রাইয়ান। প্রায় চার বছরের শ্রমলব্ধ ‘বিন্দু’র কাজ— ‘শম্ভু রক্ষিত : পাঠ ও বিবেচনা’। সংকলনটিতে লিখছেন কালীকৃষ্ণ গুহ, অসীমকুমার বসু, দীপঙ্কর সেন, যশোধরা রায়চৌধুরী, সব্যসাচী মজুমদার, শ্যামল রক্ষিত, সুবীর সরকার, ধীমান ব্রহ্মচারী, তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সুব্রত ঘোষ, চন্দন দাস, বেবী সাউ, শিবাশিস দত্ত, সুনীল মাজি, নিতাই জানা, বুদ্ধদেব […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

অণু গল্প : রহস্যময়ী পিয়ালী

সুদীপ পালরাত দুটোর সময় পিয়ালী আমায় ফোন করল। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলাম। মোবাইল ডিসপ্লেতে ছবিসহ পিয়ালীর নাম দেখে ধড়ফড় করে বিছানায় উঠে বসলাম। এর কারণ, আমার পাঁচ বছরের মোবাইল জীবনে কোনো যুবতী রাতদুপুরে ফোন করেনি। তাই কিছুটা আতঙ্কিত, কিছুটা পুলকিত।পিয়ালী ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। শিশুদের মতো না-থামা কান্না। থামছেই না। আমি থামাতে চেষ্টা করলাম। যতবার […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

পুস্তক পর্যালোচনা : এ জীবন এক ভালোবাসার গল্প

দেবযানী ঘোষ সুতপা দাসের ‘নিম পাতার ঝোল অথবা কাসুন্দি’ উপন্যাসটি পড়লে মনে হয় উপন্যাস নয়, কোনো কবিতা পড়ছি। ভাষা এবং বর্ণনার কাব্যধর্মিতার শব্দে বাইরের কোলাহলকে ছাড়িয়ে ভিতরের বৃষ্টিপাতের আওয়াজ শোনা যায়। কাহিনিকে গুরুত্বহীন করে দিয়ে এক কাব্যিক আচ্ছন্নতা ঘিরে ধরে কুয়াশার মতো। পড়তে পড়তে মনে ভেসে ওঠে বহুকাল আগে পড়া ‘খোয়াবনামা’-র কথা। মনকথা লিখেছে উপন্যাসের […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

গল্প : স্মৃতির দোকানের শহর

সৌম্য ঘোষ সে এক শহর ছিল, স্মৃতির শহর। অদ্ভুত শহর। সেখানে অদ্ভুতভাবে মানুষেরা মিলেমিশে থাকত। তরঙ্গহীন, নিরুপদ্রব জীবন ছিল সে শহরের, এবং মানুষদের। আচমকাই একদিন সেই শান্ত শহরে ঝড় উঠল। ছড়িয়ে পড়ল এক মারাত্মক এপিডেমিক। কোভিডের থেকেও দশগুণ বেশি মারাত্মক। প্রাণঘাতী নয়, এই ভাইরাস আক্রমণ করে মানুষের মস্তিষ্ককে। আগে এই শহরের মানুষেরা হাসিখুশিভাবে মিলেমিশে থাকত। […]readmore