গণেশ দেবরায় এখন আর আমি বন্ধু বান্ধবদের সাথেখুব একটা ঘেঁষতে চাই না!বন্ধুরা কেউ ডাক্তার কেউ ইঞ্জিনিয়ারকেউ ব্যারিস্টার কেউ বিজনেসম্যানকেউ বা অফিসার কেউ আবার নেতাতারা দু’চারটে দোকান কেনে সকাল সন্ধ্যা,আমি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ি আর কবিতা লিখি।রাস্তায় দেখা হলে আড় চোখে তাকাই —না, কেউ আমাকে চিনতে চায় নাপথের অচেনা পথিকের মতো পাশ কেটে যায়আমি এখন মুক্ত বিহঙ্গের মতো […]readmore
Tags : Poem
রুবাইয়া জুঁই যতদূর চোখ যায় ভাঙাচোরা আয়নার টুকরোযে আয়নায় মুখ দেখেছিলাম। ভীষণ অপয়া। মাকড়সার জালে জড়িয়েছে পা। দু’হাতে শেকল।গলাধঃকরণ করেছি বিষ, যাতে ধ্বংস হয় সবুজ। ধীরগতির প্রাণনাশী।খুঁটি বাঁধা সংসারে, আলমারিতে কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজে রাখা আছে আয়ু।বহুকাল আগে কে যেন বলেছিল— আয়ুস্মতি হও অন্ধকারের অতল গহ্বর ঘিরেছে আমায়।তবুও মনে হচ্ছে সে আসবে। তার নৃত্যে এক হবে […]readmore
কিংকর নারায়ন দত্ত অনেক দিন পর বাড়ি এসে লোহার গেটটা ঠেলতেই,একটা শব্দ, খুব পরিচিত কিন্তু কষ্টের মতো শোনাল।কড়া নাড়তেই দরজা খুলে দিলেন বাবা।একপলকেই বাবা আর বাড়িটি যেন এক হয়ে গেলচোখের নিমেষে।বয়সের ভারে দুর্বল বাড়িটিযেন এক গাল হেসে বলল,এসেছিস, আয় আয় ভেতরে আয়।বিবর্ণ দেওয়াল, পুরোনো গ্রিল, সাদা হয়ে যাওয়া বাবার চুল,ভেঙে যাওয়া গালের হাসি যেন, বাইরের […]readmore
বিষ্ণু শংকর বর্মা নৈসর্গিক জায়গায় জায়গায় মন্দিরে বসে থাকো কেনমন্দির থেকে বেরিয়ে একটু এদিক সেদিক নজর দাও দেখিকত অনিয়ম বিশৃঙ্খলাচুপ করে কেমন করে বসে থাকো গো মন্দিরেতুমি হাত বাড়ালেই আকাশ ধরোপা বাড়ালেই আমারা সবাই ভালো হয়ে যাইকেন চুপ করে মন্দিরে বসে থাকো বলো দেখি দিনের রং তো বদলাতে দাওনি প্রভাতের সূর্য উদয়ের আনন্দ তো সেই […]readmore
অমিতাভ সরকার১কালের ইষ্টপদে কবি— ভালোবাসা হৃদিতট নোনা গাঙে জল,চরের মানুষ খুঁজে কিবা ফলাফল।চেনাশোনা জানা দিয়ে কতটুকু তার,সংসারে সঙ সেজে নিজেকে দেওয়ার।কর্তার আদেশে কর্ম, নীরব সাধন,প্রত্যাশা বিষম বস্তু, অরণ্যে রোদন।অশোকের পাশে শোক, পাশাপাশি চলা,নিজের ভিতরে একা চুপ কথা বলা।ক্ষমার পরম কূলে শান্তি মনোহর,ঠিক-ভুল আপেক্ষিক, অপেক্ষা প্রসর।রাগ, মোহ, তুচ্ছ ক্লেশ, মায়ার যতন,দ্রোহের তাসের ঘরে শরীর পাতন।হিসাবের বেহিসাবে […]readmore
সঞ্চিতা রাহাসোনালি সকালে একরাশ ফুটন্ত গোলাপ!আমি ভাবতে চাই।ঝাঁক ঝাঁক পাখির উড়ন্ত প্রচ্ছায়া, খোলা রোদ্দুর—আমাকে ভাবতে বলে।বাতাসের নীল পোশাক ফুঁড়েঅবিরল প্রেমের ধারা।হাজারো পাহাড়ি পথ মাড়িয়েকোনো এক অজান্তেই মরণপিয়াসী ডুব!অগুনতি হাহাকার আর আর্তচিৎকারআঁকাবাঁকা পথ চলতে চলতেই প্রতিধ্বনিত হয়!প্রতিধ্বনিত হয় উৎসের প্রতি নিদারুণ মোহে!পৃথিবী ছিঁড়ে হৃদয়টা কি উড়ে যেতে পারে…পারে না!হাতে হাত ধরে হেঁটে চলে যাওয়া রেলপথ,কত কাছাকাছি […]readmore
গল্পকার ময়ূরী মিত্র-র গল্পে রয়েছে দৈনন্দিতার আলো-অন্ধকার, নারী-পুরুষের ভিন্নধর্মী সহাবস্থানের এক জটিল চিত্র। লিখছেন বাসব মৈত্র। আধুনিক গল্পকারের মূল কাজ কী! সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় কথিত, উপন্যাসের মূল কাজকে ধরেই বলি, ক্ষত স্থানটিকে পাঠককে দেখানো।ময়ূরী মিত্রের সাম্প্রতিক গল্পগুলো পড়লে আমরা বুঝতে পারি, গল্পকার বিক্ষত মুদ্রাটির দুটো দিকই দেখিয়েছেন। পুরুষ মনের ক্ষত আর নারী মনের ক্ষত দুটো ভিন্ন […]readmore