শনিবার | ০৪ জুলাই ২০২৬

Tags : Poem

সাহিত্য - সংস্কৃতি

দু’টি কবিতা

প্রণব চৌধুরী পাহাড়ের আশ্রয়ে শিশিরের স্পর্শ মেখেশিশু সূর্যের স্বর্ণাভ আলোর হাসি ফুটে,পাহাড়ি যুবতীদের ঠোঁটের কোণে ভাসেসে হাসির ছোঁয়া।টং ঘরের পাশে গাছের ঘন পাতার ঝোপে বসেচারদিকে চোখ রাখে লজ্জাবতী বানর।বঁাশের ফুলে দোলে প্রেম। দুপুরের রোদ মেখে ঝরনার নিচে গিয়েকালো পাথরের উপর বসেচোখ বুজে মগ্ন হই প্রকৃতির ধ্যানে।এখানে মোবাইলের টাওয়ার নেই।ডাকঘর নেই। তাই তোমার সঙ্গে,তোমাদের শহুরে সভ্যতার […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

কবিতা : পালসারের গ্রিপার

বাসব মৈত্র পর্ব – ২পালসারের গ্রিপার ছুঁয়ে দেখা তোমার দীর্ঘশ্বাস, মোবাইলের কুরকুর শব্দ,কথা বলতে বলতে সম্প্রতি তোমার বন্ধুর বঙ্গীয় রাজনীতির মতন উত্তেজক ফুটে যাওয়া জাতীয় স্তর থেকে।আড্ডায় কেমন ঘোলা জলের মাছ একলা পড়ে গেলে।আমি বুঝতে পারি তোমার রণকৌশল,বুকের লোমকূপ থেকে তোমার স্যাঁতস্যাঁতে ঘাম, চিৎকার।তোমার আমিত্ব প্রতিনিয়ত সংখ্যাগুরু না সংখ্যালঘু না রাজ্য রাজনীতির পালানো পুষ্পা!! বেকারত্বের […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

কবিতা : মৌচুক্তি

বাসব মৈত্র স্তুতিহীন অনন্তের বাঁকে তবে ধাক্কা খেল বুলডোজার! শহীদ বেদীর পতাকা তখন যেভাবে ছিটকে পড়ল— তার কিছুটা আড়ালেই দাঁড়িয়ে ছিল বাম জমানার দু’এক উচ্চারণ, স্লোগান। মায়াবী আচ্ছন্নতায় বুলডোজার কিছুটা থমকে।সামনে জনা পঞ্চাশ লোক। “রাস্তা আটকে দোকান বসবে? কোনো সভ্য দেশে বসে? আপনি দেবেন আপনার ব্যালকনিতে থাকতে কোনো দুঃস্থকে?” সভ্যদেশ তুমি এই চরাচরে এক অভিজাত […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

পাঁচটি কবিতা

শিবালোক দাস ১ জন্ম দুহাতে সমুদ্র…শান্ত হয়ে আড়াল করো পশ্চিম!এ কাঁটা যেন ভুলে গেছে, নতমুখে, লজ্জায়।জন্ম এত বিক্ষিপ্ত?অতল সন্ধ্যার ঋণে –রক্ত মেখে দাঁড়ায় ব্যর্থ আলোয়…পরোক্ষ মৌতাতে ক্ষমা আজ অখণ্ড…. ২ পারাপার কৃষ্ণগহ্বরের ঘুণে নির্লিপ্ত জল—জেনেছি কঠিন ভাস্বরে ফুটে ওঠেসহজাত পতন… মাটিতে পুঞ্জীভূত দৃষ্টিপাতে যাকেদেখো, তার অন্তরে কি খুঁজেপাও পারাপার? হাতে একরাশ অন্ধকারশূন্য ঝংকার। ৩ রচনার […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

কবিতা : দুঃসময়

গণেশ দেবরায় এখন আর আমি বন্ধু বান্ধবদের সাথেখুব একটা ঘেঁষতে চাই না!বন্ধুরা কেউ ডাক্তার কেউ ইঞ্জিনিয়ারকেউ ব্যারিস্টার কেউ বিজনেসম্যানকেউ বা অফিসার কেউ আবার নেতাতারা দু’চারটে দোকান কেনে সকাল সন্ধ্যা,আমি দীর্ঘশ্বাস ছাড়ি আর কবিতা লিখি।রাস্তায় দেখা হলে আড় চোখে তাকাই —না, কেউ আমাকে চিনতে চায় নাপথের অচেনা পথিকের মতো পাশ কেটে যায়আমি এখন মুক্ত বিহঙ্গের মতো […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

কবিতা : প্রাচীর

রুবাইয়া জুঁই যতদূর চোখ যায় ভাঙাচোরা আয়নার টুকরোযে আয়নায় মুখ দেখেছিলাম। ভীষণ অপয়া। মাকড়সার জালে জড়িয়েছে পা। দু’হাতে শেকল।গলাধঃকরণ করেছি বিষ, যাতে ধ্বংস হয় সবুজ। ধীরগতির প্রাণনাশী।খুঁটি বাঁধা সংসারে, আলমারিতে কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজে রাখা আছে আয়ু।বহুকাল আগে কে যেন বলেছিল— আয়ুস্মতি হও অন্ধকারের অতল গহ্বর ঘিরেছে আমায়।তবুও মনে হচ্ছে সে আসবে। তার নৃত্যে এক হবে […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

কবিতা : চওড়া রাস্তার পাশে, একটি পুরোনো বাড়ি

কিংকর নারায়ন দত্ত অনেক দিন পর বাড়ি এসে লোহার গেটটা ঠেলতেই,একটা শব্দ, খুব পরিচিত কিন্তু কষ্টের মতো শোনাল।কড়া নাড়তেই দরজা খুলে দিলেন বাবা।একপলকেই বাবা আর বাড়িটি যেন এক হয়ে গেলচোখের নিমেষে।বয়সের ভারে দুর্বল বাড়িটিযেন এক গাল হেসে বলল,এসেছিস, আয় আয় ভেতরে আয়।বিবর্ণ দেওয়াল, পুরোনো গ্রিল, সাদা হয়ে যাওয়া বাবার চুল,ভেঙে যাওয়া গালের হাসি যেন, বাইরের […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

কবিতা : দু’টি কবিতা

বিষ্ণু শংকর বর্মা নৈসর্গিক জায়গায় জায়গায় মন্দিরে বসে থাকো কেনমন্দির থেকে বেরিয়ে একটু এদিক সেদিক নজর দাও দেখিকত অনিয়ম বিশৃঙ্খলাচুপ করে কেমন করে বসে থাকো গো মন্দিরেতুমি হাত বাড়ালেই আকাশ ধরোপা বাড়ালেই আমারা সবাই ভালো হয়ে যাইকেন চুপ করে মন্দিরে বসে থাকো বলো দেখি দিনের রং তো বদলাতে দাওনি প্রভাতের সূর্য উদয়ের আনন্দ তো সেই […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

দু’টি কবিতা

অমিতাভ সরকার১কালের ইষ্টপদে কবি— ভালোবাসা হৃদিতট নোনা গাঙে জল,চরের মানুষ খুঁজে কিবা ফলাফল।চেনাশোনা জানা দিয়ে কতটুকু তার,সংসারে সঙ সেজে নিজেকে দেওয়ার।কর্তার আদেশে কর্ম, নীরব সাধন,প্রত্যাশা বিষম বস্তু, অরণ্যে রোদন।অশোকের পাশে শোক, পাশাপাশি চলা,নিজের ভিতরে একা চুপ কথা বলা।ক্ষমার পরম কূলে শান্তি মনোহর,ঠিক-ভুল আপেক্ষিক, অপেক্ষা প্রসর।রাগ, মোহ, তুচ্ছ ক্লেশ, মায়ার যতন,দ্রোহের তাসের ঘরে শরীর পাতন।হিসাবের বেহিসাবে […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

কবিতা : ভাবনার এফোঁড় ওফোঁড়

সঞ্চিতা রাহাসোনালি সকালে একরাশ ফুটন্ত গোলাপ!আমি ভাবতে চাই।ঝাঁক ঝাঁক পাখির উড়ন্ত প্রচ্ছায়া, খোলা রোদ্দুর—আমাকে ভাবতে বলে।বাতাসের নীল পোশাক ফুঁড়েঅবিরল প্রেমের ধারা।হাজারো পাহাড়ি পথ মাড়িয়েকোনো এক অজান্তেই মরণপিয়াসী ডুব!অগুনতি হাহাকার আর আর্তচিৎকারআঁকাবাঁকা পথ চলতে চলতেই প্রতিধ্বনিত হয়!প্রতিধ্বনিত হয় উৎসের প্রতি নিদারুণ মোহে!পৃথিবী ছিঁড়ে হৃদয়টা কি উড়ে যেতে পারে…পারে না!হাতে হাত ধরে হেঁটে চলে যাওয়া রেলপথ,কত কাছাকাছি […]readmore