মঙ্গলবার | ০২ জুন ২০২৬

Tags : Mousumi Bhattachariya

সাহিত্য - সংস্কৃতি

গল্প : অধিকার

মৌসুমী ভট্টাচার্য্য তিনবাড়ির কাজ শেষ করে বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ বাড়ি ফিরে ধপাস করে চৌকাঠে বসে পড়ে মায়া। আঁচল দিয়ে মুখ, ঘাড় মুছল। গরমের দিনে এত ঘাম হয়, জলতেষ্টা পেতে থাকে। কাজের চাপে জলও খাওয়া হয় না। একটি বাড়িতেও এক কাপ চা-ও দেয় না। খিদেয় চোখে অন্ধকার দেখছে। প্রস্রাব শুকিয়ে নালীতে প্রচণ্ড জ্বালা করছে। এখন […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

গল্প : ভ্রম

মৌসুমী ভট্টাচার্য্য সকাল ন’টা থেকে এগারোটা অব্দি বেশ ভিড় থাকে দোকানে, আদিল আর দুই ছোকরা কর্মচারী হিমসিম খায় সামলাতে। এগারোটার পর একটু কমে আসে। আদিল এ সময়টায় চা আনায় পাশের চায়ের দোকান থেকে, ইলাইচি চা। লম্বা এক সুড়ুৎ শব্দে চায়ে চুমুক দেয় আদিল। মান্ধাতার আমলের এক টেপ রেকর্ডারে ক্যাসেট চালায়, চোখ বন্ধ করে গান শোনা […]readmore

সাহিত্য - সংস্কৃতি

গল্প : প্রায়শ্চিত্ত

মৌসুমী ভট্টাচার্য পূজো আর নববর্ষের আগে পোশাক কেনার সঙ্গে জুতো কেনারও হুজুগে মাতে লোকজন। মহিলাদের ম্যাচিং শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং জুতো। সালোয়ার কুর্তার সঙ্গে এই জুতো, শার্ট প্যান্ট পরলে পা ঢাকা কাপড়ের দামী জুতো। মানাক না মানাক, পরতে হবেই। অষ্টাদশী মেয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আটচল্লিশ কি পঞ্চান্ন-এর মধ্যবয়সিরা মেতে ওঠে। মেয়েই সবচেয়ে বন্ধু। মেয়ের হাত ধরে […]readmore