রাজনীতি থেকে সরতে চান, শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী থাকা পর্যন্ত বিধানসভায় না যাওয়ার ঘোষণা হুমায়ুনের
কলকাতা, ৭ অক্টোবর– রেজিনগরের উপনির্বাচন মিটতেই এবার রাজনীতি থেকে সরে আসার কথা ঘোষণা করলেন হুমায়ুন কবীর। ফলপ্রকাশের আগেই তিনি যেন হার মেনে নিলেন। শুধু তা-ই নয়, রেজিনগরে ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে বলে অভিযোগ করে রাজনীতি ছাড়বেন বলে ঘোষণা নওদার বিধায়ক তথা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধানের। সংবাদমাধ্যমের সামনে আজ কেঁদেই ফেলেন বিধায়ক। জানিয়ে দিলেন, শুভেন্দু অধিকারী যত দিন মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন, তত দিন তিনি বিধানসভায় যাবেন না।
মঙ্গলবার রেজিনগর উপনির্বাচনের দিন সকালেই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন হুমায়ুন। সন্ধ্যায় ছাড়া পান। তার ছেড়ে দেওয়া রেজিনগর আসনে উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী পুত্র গোলাম নবি আজাদ। ভোটশেষে সেই যুবক বলেন, নির্বাচনের ফল কী হবে তা ভোটের দিনেই পরিষ্কার। বিজেপির বিরুদ্ধে তিনিও ভোটলুটের অভিযোগ করেন। হুমায়ুন বলেন, “সিপিএমের সময়ে ক্যাডাররা ভোট করত। পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখত। এখন পুলিশ ক্যাডারের ভূমিকায় নামল। এ রাজনীতিতে থাকতে চাই না। আমি রেজিনগরের মানুষের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।”
বুধবার হুমায়ুন যেন রাজনৈতিক আত্মসমর্পণের ইস্তেহার লিখে ফেললেন। ক্ষুব্ধকণ্ঠে বললেন, “বিধানসভা অধিবেশনের সময়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কক্ষে থাকলে তিনি অধিবেশনে যাবেন না।” বুধবার হুমায়ুনকে দৃশ্যতই দিশেহারা লেগেছে। কটাক্ষের সুরে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, ‘ওঁর বিধানসভায় না-আসাই ভাল। উনি মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তাতে আমরা বিধায়করাই ওঁকে বুঝিয়ে দেব। এখন কুমিরের কান্না কেঁদে লাভ নেই।’