শুক্রবার | ০৭ আগস্ট ২০২৬

বদলের বাংলায় এবার হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি, হাজির মুখ্যমন্ত্রী

 বদলের বাংলায় এবার হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি, হাজির মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা, ৭ আগস্ট- ছাব্বিশের নির্বাচনে বাংলায় পরিবর্তন এসেছে। আর সেই বদলের বাংলায় প্রথম ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ যাত্রার আয়োজন করা হলো। স্বাধীনতার মাসের এই প্রকল্প বেশ কয়েকবছর আগে সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু বাংলায় এমন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়নি। এবার সেই ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচির যেন মেগা সেলিব্রেশনের আয়োজন।

শুক্রবার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে এই কর্মসূচির সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিকেলে সার্ভে বিল্ডিং থেকে  হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিলে বিপুল জনসমাগম। রাজপথে শুধুই ত্রিবর্ণ পতাকা। মাথা গোনার উপায় নেই। আর সেই মিছিলেরই নেতৃত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। এই মিছিলে ভবানীপুরবাসী ছাড়াও দেখা গেল শিল্পমন্ত্রী তাপস চট্টোপাধ্যায়, স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন ও অগণিত সাধারণ মানুষকে। উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী তার বক্তৃতায় বলেন, ‘সার্ভে বিল্ডিং থেকে এই হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করে আমরা আজ হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচি শুরু করে দিলাম। আমার সঙ্গে মিছিলে এত মানুষ যোগ দিয়েছেন, তা দেখে আমরা আপ্লুত। সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আগামী ১০ তারিখ আমরা নেতাজি মূর্তি থেকে আবার তেরঙ্গা যাত্রা করব। ৫০ হাজার মানুষকে নিয়ে ঐতিহাসিক তেরঙ্গা যাত্রা হবে। বিড়লা তারামণ্ডলের ৭ নং গেট পর্যন্ত যাব আমরা। সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘দিল সে তেরঙ্গা, প্যায়ার সে তেরঙ্গা, হর ঘর তেরঙ্গা’। এই যাত্রা জাতীয়তাবাদী, দেশপ্রেম জাগ্রত করার লক্ষ্যে আয়োজিত। বাংলায় এবার রাষ্ট্রবাদী সরকার গঠিত হয়েছে। সব জনগণকে আগাম স্বাধীনতা দিবসের রাষ্ট্রবাদী অভিনন্দন।’

শুক্রবার দুপুরে ভবানীপুরের গুরুদ্বারে যান তিনি। গেরুয়া পাগড়ি, সাদা পাঞ্জাবি-পাজামায় গুরুদ্বারে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী। তারপরই সেখানকার বাকি ভক্তদের মতো সেবার কাজে শামিল হন। ‘লঙ্গরে’ ভক্তদের খাবার পরিবেশন থেকে বাসন ধোয়া – সবই নিজে হাতে করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে নিজেও সকলের সঙ্গে বসে খান।

আজ দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে প্রাতরাশে অংশ নেন তৃণমূলত্যাগী এনসিপিআই সাংসদেরা। একইদিনে আবার নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রত তৃণমূলের বিধায়কেরা। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও সেই পরিষদীয় দলে ছিলেন বিধায়ক আখরুজ্জামান, ফিরহাদ হাকিমরা। ঋতব্রতর দাবি, রাজ্যের নানা ইস্যু নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *