একুশের সমাবেশ ঘিরে দুই শিবিরে তৎপরতা তুঙ্গে
কলকাতা, ২০ জুলাই– একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে তৃণমূলের দুই তরফেই তৎপরতা তুঙ্গে। ছাব্বিশের নির্বাচনে পরাজয়ের পরে তৃণমূল ভেঙে খানখান। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পন্থী কালীঘাট তৃণমূল, অন্যদিকে ঋতব্রত পন্থী তৃণমূল। যদিও সংখ্যার নিরিখে ঋতব্রতদের সঙ্গে বিধায়কের সংখ্যাটা অনেক বেশি।
এবার আদালতের নির্দেশে কলকাতার ক্যাথিড্রাল রোডে সমাবেশের আয়োজন করছে কালীঘাট তৃণমূল। পাল্টা মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সমাবেশ করবে ঋতব্রত তৃণমূল। প্রতিবছর ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সমাবেশ করতেন মমতা, পালাবদলের বাংলায় সেই স্থানে সমাবেশের অনুমতি পাননি তিনি। উল্টে ১৬৩ ধাকা জারি করা হয়েছে। সেই আবহে আদালতের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট তৃণমূল। আর আদালত এবার বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে ক্যাথিড্রাল রোডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সভা করার অনুমতি দেয়। সেইমতোই সমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। সোমবার সমাবেশ স্থল পরিদর্শন করে ক্ষোভের সুরে মমতা বলেন, ‘আন্দোলন যে করল তাকে বড় জায়গায় সভা করার অনুমতি দিল না এই সরকার। অথচ অন্য কোনও একটি গোষ্ঠীকে সভা করার অনুমতি দিয়ে দেওয়া হলো।’
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রাও এদিন সমাবেশস্থল ঘুরে দেখার পরে দাবি করেছেন। তাদের সভাতেই জেলাগুলি থেকে মানুষ ভিড় জমাবেন। এই আবহেই আজ ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন ঋতব্রত শিবিরে যাওয়া তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি বলেন, ‘আমি অভিষেককে বলেছিলাম, তুমি পরাজয়ের দায় নিয়ে পদত্যাগ করো। কিন্তু ও তখন বলল, আমি পদ ছেড়ে দিলে কী পাব। ও বলেছিল, আমাকে তাহলে আমেরিকা ছেড়ে দেওয়া হোক। এখন আবার বলছে, বিদ্রোহীরা ফিরে এলে এক ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করবে। এসব কথা অর্থহীন।’