নন্দীগ্রামে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে জোড়া সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী, ব্যবধান বাড়ানোই লক্ষ্য
কলকাতা, ২৬ সেপ্টেম্বর– বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দিতা করে নন্দীগ্রাম থেকে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ছাব্বিশের নির্বাচনেও এই কেন্দ্রের পাশাপাশি ভবানীপুরে জয় পেয়েছেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন সেই শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে শুভেন্দু ইস্তফা দেওয়ায় এবার সেখানে উপনির্বাচন। আর সেই উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে বিপুল ভোটে জয় পাওয়া শুধু নয়, আগের বারের জয়ের ব্যবধানকে বাড়ানো এখন শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে আগামী ২ ও ৪ অক্টোবর নন্দীগ্রামে জোড়া সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রার্থী নিজেই একথা জানিয়েছেন। শনিবার মুখে বিবেকানন্দের বাণী এবং মাথায় বৃষ্টি নিয়ে নন্দীগ্রামে জনসম্পর্ক অভিযান করেন হাসিরানি রথ। তিনি বলেন, ‘নন্দীগ্রামের মাটি শুভেন্দু অধিকারীর মাটি। এই মাটিতে শুভেন্দু অধিকারীই শেষ কথা।’ বৃষ্টি মাথায় নিয়েই এদিন নন্দীগ্রামে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচার করেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের শিবরামপুর, হানুভুঁইয়া, কালীবাড়ি এলাকায় টোটো চেপে ভোট প্রচার করার পাশাপশি পথসভাও করেন তিনি। এর পাশাপশি, নন্দীগ্রামের একাধিক মন্দিরে পুজো দেন। বলেন, “নন্দীগ্রাম মানেই শুভেন্দু অধিকারী। তার হয়েই প্রতিনিধিত্ব করব আমি। তিনিই সব।” তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারে দু’দিন নন্দীগ্রামে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ২ এবং ৪ অক্টোবর নন্দীগ্রামে আসার কথা রয়েছে তার।
নন্দীগ্রাম বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ প্রথমদিনের প্রচারেই বলেছিলেন, ‘শুভেন্দুবাবুর আত্মার সঙ্গে জড়িত এই আসন। শুভেন্দুবাবুই কাজ করবেন। প্রতিনিধিত্ব করব আমি। বিরোধীরা অস্তিত্ব লড়াইয়ের জন্য ব্যস্ত। তাদের মাঠ নেই, প্রচার করার জায়গা নেই। তারা তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া থেকে বাঁচার জন্য লড়াই করছেন। আর আমরা লড়াই করছি আমাদের ব্যবধান কতটা বাড়াতে পারি তার জন্য।’