পুজোর পরেই পুরভোটের সম্ভাবনা, আর সেই ভোটের আগেই বড় রদবদল বিজেপিতে
কলকাতা, ২৫ সেপ্টেম্বর– পুজোর পরেই পুরভোট রাজ্যে। আর তার আগেই রাজ্য বিজেপিতে বড়সড় রদবদল। সংগঠনের মহিলা, যুব, ওবিসি মোর্চা থেকে শুরু করে সাংগঠনিক জেলার সভাপতি, রাজ্য সম্পাদক সর্বত্র নতুন মুখ। ‘এক পদ এক ব্যক্তি’ নীতি মেনে বিভিন্ন পদে এই পরিবর্তন বলে সূত্রের খবর। সেই নীতিতে সাংগঠনিক পদ থেকে বাদ পড়লেন তিন মন্ত্রী – তাপস রায়, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ও অগ্নিমিত্রা পাল। দীর্ঘদিন গেরুয়া শিবিরে একনিষ্ঠ সৈনিক থাকার পুরস্কার হিসেবে বড় চমক মহিলা মোর্চা সভানেত্রী পদে অভিনেত্রী অঞ্জনা বসুর আগমন।
এই রদবদল কীভাবে করা হবে, কাকে কাকে নতুন করে দায়িত্ব দেওয়া হবে তা নিয়ে একাধিকবার বৈঠক করেছেন বিজেপির রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতারা। শুক্রবার বিজেপির তরফে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি পদে বেহালা পশ্চিমের ইন্দ্রনীল খাঁ’র বদলে এসেছেন বিধায়ক অমিত সামন্ত। মহিলা মোর্চার পদ থেকে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। এছাড়া সাত সাংগঠনিক জেলা – বারাসত, বনগাঁ, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, মেদিনীপুর, বর্ধমান ও কাটোয়ায় জেলা সভাপতি বদল করা হয়েছে। রাজ্য সম্পাদক পদ থেকে বাদ পড়েছেন যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়। সহ সভাপতি হয়েছেন দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা।
আসন্ন পুরভোট যে এই রদবদলে একটা বড় কারণ তা মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ছাব্বিশের বিধানসভায় বিজেপির জয়ের পরে বাংলার একের পর এক পুরসভা ভেঙে গিয়েছে। জানা যাচ্ছে, অক্টোবর মাসের শেষ দিকেই ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। ২৭ বা ২৮ নভেম্বর হতে পারে ভোটগ্রহণ। ২ ডিসেম্বর হতে পারে ফলপ্রকাশ। আর সেই নির্বাচনের আগেই রদবদলের পর্বটি সেরে ফেলল গেরুয়া শিবির।