আমার চোখে পুজোর ফ্যাশন ও নতুন বাংলা গান
চন্দ্রিকা ভট্টাচার্য্য (গায়িকা)
পুজো মানেই নতুন পোশাক, সাজগোজ, প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর অফুরন্ত আনন্দ। তবে আমার কাছে পুজোর আনন্দ শুধু নতুন পোশাকেই সীমাবদ্ধ নয়। নতুন জামাকাপড়ের পাশাপাশি নতুন বাংলা গানও উৎসবের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই যেন বাঙালির পুজো পূর্ণতা পায়। আমার চোখে ফ্যাশন মানে শুধু ট্রেন্ড অনুসরণ করা নয়, বরং স্বাচ্ছন্দ্য আর নিজের ব্যক্তিত্বকে পোশাকের মধ্যে খুঁজে পাওয়া। যে পোশাকে নিজেকে সবচেয়ে সুন্দর ও আত্মবিশ্বাসী লাগে, সেটাই আমার ফ্যাশন স্টেটমেন্ট। ছোটবেলায় উজ্জ্বল রঙের ফেয়ারি ফ্রক পেলে আনন্দের সীমা থাকত না। সেই রঙিন পোশাকেই যেন লুকিয়ে থাকত ছোট্ট পৃথিবীর সবটুকু আনন্দ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পছন্দ বদলেছে। এখন সাদা, কালো আর প্যাস্টেল শেডসের প্রতি ভালোবাসা অনেক বেশি। পুজোর সন্ধেগুলো আমার কাছে একটু অন্যরকম। পুজোয় গানের অনুষ্ঠান থাকায় অনেক সময় মঞ্চের পোশাকেই কেটে যায় সন্ধে। কখনও লং গাউন, কখনও সলিড কালারের ট্রাউজারের সঙ্গে শর্ট স্লিভ টপ, আবার কখনও লং স্কার্টের সঙ্গে ফুল স্লিভ টপ— এভাবেই সাজিয়ে নিই নিজেকে। তবে এবারের পুজোয় বিশেষ ইচ্ছে রয়েছে কলার দেওয়া কুর্তির সঙ্গে একই রঙের ধুতি প্যান্ট আর কানে বড় চাঁদবালি পরার। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে সাজটা হবে একটু অন্যরকম। একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে প্রতিবছর পুজোয় নতুন গান শ্রোতাদের উপহার দেওয়ার চেষ্টা করি। সবশেষে বলবো আমার কাছে পুজোর ফ্যাশন আর নতুন গান দুটোই নিজেকে প্রকাশ করার আলাদা মাধ্যম। একটি প্রকাশ করে আমার পোশাকের পছন্দকে অন্যটি আমার কণ্ঠ ও অনুভূতিকে। এটাই চাই, সবার পুজো যেন ভালো কাটে।
সাক্ষাৎকার- আনন্দিতা সরকার।