দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বাংলায় আসছেন শাহ, বেলুড়, বালি হয়ে যাবে শোভাবাজার রাজবাড়িতে
কলকাতা, ১৩ অক্টোবর- দুর্গাপুজোয় বঙ্গে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, বেলুড় মঠ ঘুরে কলকাতার বেশ কয়েকটি পুজো মন্ডপে যাবেন তিনি। শোভাবাজার রাজবাড়িতেও তার যাওয়ার কথা রয়েছে।
পালাবদলের বাংলায় দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে একটা অন্য উন্মাদনা এবার রয়েইছে। ইতিমধ্যে কলকাতা সহ রাজ্যের নানা প্রান্তে পুজোর উদ্বোধনে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকার যে বাঙালিকে এই সময়টায় উপহারে ভরিয়ে দিতে চায় তার প্রমাণ মিলেছে মহালয়ার সন্ধ্যায়। ইডেনের মেগা ইভেন্টের প্রশংসা শোনা গিয়েছে সকলের মুখে। আগে জানা গিয়েছিল, মহালয়ার সন্ধ্যায় ইডেনে উপস্থিত থাকবেন অমিত শাহ। কিন্তু পরবর্তীকালে তার সফর বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু এবার সপ্তমীতেই বাংলায় আসছেন শাহ।
এ বার দুর্গাপুজোয় সপ্তমী দু’দিন— ১৭ এবং ১৮ অক্টোবর। প্রথম সপ্তমীতে সন্ধ্যার পর আহমেদাবাদ থেকে কলকাতার বিমানে উঠবেন শাহ। রাত ৮টা নাগাদ নামবেন কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকে তিনি সোজা চলে যাবেন আলিপুরের ‘সৌজন্য’ অতিথিশালায়। ওখানেই রাত্রিবাস করার কথা শাহের। দ্বিতীয় সপ্তমী অর্থাৎ রবিবার সকালে বাংলায় ঘুরবেন তিনি। সকালে বেলুড় মঠে যাবেন শাহ। সেখান থেকে বালির দেশবন্ধু ক্লাবের পুজো পরিদর্শনে যাবেন শাহ। ফিরে সৌজন্যে যাবেন তিনি। এরপর দেড়টা নাগাদ চেতলা ২৪ পল্লি দুর্গাপুজো পরিদর্শনে যাওয়ার কথা শাহের। ২ টোয় চেতলা থেকে শোভাবাজার রাজবাড়ি যাবেন তিনি। এরপর যাবেন শ্রীভূমি। সেখান থেকে বেরিয়ে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন শাহ।
রাজ্যে পালাবদলের পর এই প্রথম দুর্গাপুজো। মহালয়ায় ইডেন গার্ডেন্সে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান করে দুর্গাপুজোর সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শোনা গিয়েছিল, সেই অনুষ্ঠানে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যদিও শেষপর্যন্ত আসতে পারেননি তিনি। তবে নবান্ন সূত্রে খবর ছিল, পুজোর মধ্যেই এ রাজ্যে আসতে পারেন শাহ। এ বার তাঁর আসার সূচি মিলল। গত বছরও পুজোর সময় পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন শাহ। গিয়েছিলেন সজল ঘোষের সন্তোষ মিত্র স্ক্যোয়ারের পুজোয়। এ ছাড়াও সল্টলেকের ইজ়েডসিসি-তে গিয়ে পুজোমণ্ডপের উদ্বোধন করেছিলেন শাহ। তবে এবার আর সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারে যাচ্ছেন না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।