সোমবার | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুর নির্বাচনের আগেও তৃণমূলের প্রতীক যুদ্ধের ফসয়ালা হচ্ছে না, কমিশনকে চার মাস সময় আদালতের

 পুর নির্বাচনের আগেও তৃণমূলের প্রতীক যুদ্ধের ফসয়ালা হচ্ছে না, কমিশনকে চার মাস সময় আদালতের

কলকাতা, ২৮ সেপ্টেম্বর- দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ফের ধাক্কা মমতা তৃণমূল শিবিরে। রেজিনগর আর নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে নতুন প্রতীকে লড়াইয়ে নামতে হয়েছে মমতা শিবিরকে। একইভাবে জোড়াফুল প্রতীক পায়নি ঋতব্রত তৃণমূল। এবার পুরসভা নির্বাচনেও হয়তো জোড়াফুল হাতছাড়া হতে চলেছে মমতা শিবিরের। সোমবার ‘প্রতীক-যুদ্ধে’র শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনকে সিদ্ধান্ত নিতে চারমাস সময় দিল শীর্ষ আদালত। অর্থাৎ নভেম্বরের পুরভোটে আগে সিদ্ধান্ত আসা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন । এমনকী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরও দুই কেন্দ্রের উপ নির্বাচন কিংবা পুরসভা ভোটে জোড়াফুল প্রতীক পাবে কিনা তা নিয়ে রয়ে গেল সংশয়। ফলত প্রতীক নিয়ে হল না কোনও নিষ্পত্তি।

            নির্বাচনের ফল বেরনোর পরে এক মাসের মধ্যে তৃণমূল ভেঙে গিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মধ্যেইও গত কয়েকদিন আগে তৃণমূলের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক ‘ফ্রিজ়’ করেছে নির্বাচন কমিশন। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, আপাতত ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং প্রতীক জোড়াফুল কালীঘাট তৃণমূল কিংবা ঋতব্রত তৃণমূল কেউ ব্যবহার করতে পারবেন না। আসল তৃণমূল কে, দলের তহবিলের মালিকানা কোন গোষ্ঠীর, এই সমস্ত বিষয় নিষ্পত্তি হওয়ার পরেই প্রতীক এবং নাম নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়ে দেয় কমিশন। আর সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

            সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। শুনানির শুরুতেই নাম এবং প্রতীকের বিষয়টি যাতে দ্রুত শুনানি করে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয় সেই আবেদন জানান কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে দু’পক্ষের অর্থাৎ কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋত তৃণমূলের কমিশনের কাছে শুনানির প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে কিনা জানতে চান প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। এই বিষয়ে কালীঘাট তৃণমূল সবুজ সঙ্কেত দিলেও ঋতব্রত তৃণমূল এই বিষয়ে ৬ সপ্তাহের সময় চায়। তাঁদের আইনজীবী মুকুল রোহতগি কমিশনের কাছে বক্তব্য জানানোর জন্য ছ’সপ্তাহ সময় চান। যদিও একমাসের মধ্যে কমিশনকে দু’পক্ষের বক্তব্য শুনতে হবে বলে নির্দেশ। এরপর তিনমাস সময় কমিশন পাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। এরমধ্যে দু’পক্ষকেই হলফনামা-পালটা হলফনামা জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *