উপনির্বাচনে প্রার্থী দেওয়াকে কেন্দ্র করে তরজা কালীঘাট তৃণমূল বনাম কংগ্রেসের
কলকাতা, ১৫ সেপ্টেম্বর– নন্দীগ্রামে প্রার্থী দেওয়াকে কেন্দ্র করে কালীঘাট তৃণমূল এবং কংগ্রেসের মধ্যে তীব্র চাপানউতোর শুরু হলো। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, আগেই নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে কংগ্রেসকে প্রস্তাব দেওয়া হয় যে, এখানে কংগ্রেস প্রার্থী দিক, সেক্ষেত্রে তৃণমূলের কোনও প্রার্থী থাকবে না। অপরদিকে রেজিনগরে তৃণমূলের প্রার্থীকে সমর্থন করুক কংগ্রেস।
কালীঘাট তৃণমূল শিবিরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপালের সঙ্গে তাদের কথা হয়। সেই সময়ে কংগ্রেসকে আসন সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে কংগ্রেস এই বিষয়ে কোনও আলোচনা না করেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দেয়। ফলে তৃণমূলের তরফে আর এ নিয়ে এগোনোর কোনও জায়গা ছিল না। তবে এই বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেসের জেলা স্তরের নেতা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পরেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার কথায়, ‘জেলার নেতা কর্মীদের সঙ্গে কথা না বলে আমরা কোনও সিদ্ধান্ত নিই না। তারা জানান, নিজেদের শক্তিতেই এই দুই কেন্দ্রে দল লড়বে। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
গোটা ঘটনায় কালীঘাট তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন ঋতব্রত তৃণমূলের নেতারা। বিধায়ক আখরুজ্জামান বলেন, ‘যে কংগ্রেস একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৈরি করেছিল, সেই কংগ্রেসের সঙ্গে বেইমানি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন সেই কংগ্রেসের সঙ্গে আবার আসন সমঝোতা করতে চাইছেন। কংগ্রেস যা করেছে ঠিক করেছে।’