জমি কেলেঙ্কারি মামলায় ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ অভিষেকের আপ্তসহায়ককে
কলকাতা, ৮ আগস্ট- এবার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। শালবনি জমি কেলেঙ্কারি মামলায় তাকে ভবানীভবনে টানা ৯ ঘণ্টা জেরা করে সিআইডি। এর আগে একাধিকবার সুমিতকে ডেকে পাঠালেও তিনি হাজিরা দেননি। রক্ষাকবচ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান তিনি। আদালত নির্দেশ দেয়, তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে সুমিতকে। তবে আগামী শুনানির আগে পর্যন্ত সুমিতকে রক্ষাকবচ দেয় আদালত।
সেই নির্দেশের পরে আজ সকাল ৯ টা ৫৪ মিনিটে ভবানীভবনে পৌঁছে যান সুমিত। সেখানেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডির তদন্তকারীরা। শালবনির একাধিক জমি বেআইনিভাবে দখল করে তা বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে। এই মামলায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে। তাকে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তাকারীরা। সেই জিজ্ঞাসাবাদেই সুমিতের নাম উঠে আসে বলে খবর। এরপরেই সুমিতের বাড়িতে নোটিস পাঠায় সিআইডি। এমনকী সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতেও পৌঁছে যান সিআইডি আধিকারিকরা। সেখানে সুমিতের ফোনের লোকেশন টাওয়ার পাওয়া গিয়েছিল বলেই জানান তদন্তকারীরা। টানা কয়েকঘণ্টা খোঁজার পুরে সেখান থেকে বেরিয়ে যান তদন্তকারীরা।
ওইদিন অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর থেকে সুমিতকে খুঁজছিল সিআইডি। গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কায় তারপরেই আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিত। সেখানেই মেলে রক্ষাকবচ। আদালতের নির্দেশের পরে সিআইডির মুখোমুখি হলেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক। গোটা ঘটনা নিয়ে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘গোটা বিষয়টি ক্যামাক স্ট্রিট পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।’ প্রসঙ্গত, এই ক্যামাক স্ট্রিটেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয় রয়েছে।