অনলাইন ডেস্ক, কলকাতা : বাংলাদেশের চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনে কর্মরত প্রোটোকল অফিসার নরেন ধরের রহস্যমৃত্যু ঘিরে কূটনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বুধবার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশ পুলিশ তাঁর দেহ ভারতীয় হাই কমিশনের হাতে তুলে দেয়। এরপর দেহ ভারতে পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রামের ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের পুরনো ভিসা সেন্টার ভবনের দ্বিতীয় তলায় নরেন ধরের দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাথরুমের দরজার সামনে তিনি অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে ছিলেন। খবর পেয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মহম্মদ শওকত আলি জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে দেহ ভারতীয় হাই কমিশনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আপাতত দেহ একটি হিমঘরে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হলেই ভারতে পাঠানো হবে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নরেন ধরের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও ‘ফাউল প্লে’ বা ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছে তদন্তকারীরা। তবে চূড়ান্ত ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে চাইছে না প্রশাসন।
জানা গিয়েছে, নরেন ধরের বয়স ছিল প্রায় ৩৮ বছর এবং তিনি চণ্ডীগড়ের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোটোকল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার পর ভারতীয় হাই কমিশন ও বাংলাদেশের প্রশাসনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখা হয়েছে।