মানবতাবিরোধী অপরাধে সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্টকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত

দামাস্কাস, ১২ আগস্ট : সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ এবার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিল আদালত। মানবতাবিরোধী অপরাধে আগেই বাশারকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল দামাস্কাসের আদালত। শুধু বাশার একা নন, তার এক আত্মীয় আতেফ নাজিবকেও ফাঁসির সাজা দিয়েছে আদালত।

            ২০০০ সালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসেছিলেন বাশার। তার আগে তার বাবা দীর্ঘদিন ওই কুর্সিতে ছিলেন। ২০১১ সাল থেকে সিরিয়ায় বাশার সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু হয়। শুরু হয় সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ। সেই গৃহযুদ্ধের জেরে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশারের ‘সাম্রাজ্যের’ পতন হয়। আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বাশারের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়। দামাস্কাসের এক ফৌজদারি আদালতে দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে সাজা শোনানো হল।

             লেবাননে ইজ়রায়েল এবং ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লার মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পরেই ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর সিরিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল শাম (এইচটিএস)। ধীরে ধীরে তারা দামাস্কাসের দিকে অগ্রসর হয়। দখল করে নেয় একের পর এক শহর। শেষ পর্যন্ত দামাস্কাসে ঢুকে পড়েন বিদ্রোহীরা। তার আগেই সপরিবার দেশ ছেড়ে রাশিয়ায় ‘পালিয়ে’ যান বাশার।    

Sumit Chakraborty: