ওয়াশিংটন, ২৯ জুন : শান্তি চুক্তির পথে এগোলেও ফের ইরান আর আমেরিকা দুই দেশই একে অপরের ওপর হামলা চালায়। টানা চারদিন ধরে এই হামলা-পাল্টা হামলা চলার পরে অবশেষে দুই দেশই সংঘর্ষ থামাতে রাজি হয়েছে, মার্কিন আধিকারিককে উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে সে দেশের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিয়স।
মঙ্গলবার কাতারে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসবে বলেই খবর। স্বাক্ষরিত মউ-এর শর্ত অনুযায়ী হরমুজ় প্রণালী দিয়ে আপাতত বাধাহীন ভাবেই জাহাজ চলাচল করতে পারবে, জানিয়েছেন ওই মার্কিন আধিকারিক। গত বৃহস্পতিবার হরমুজের কাছে ওমান উপকূলে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী একটি জাহাজ আক্রান্ত হয়। আমেরিকার দাবি, ওই জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। অভিযোগ অস্বীকার করে ইরান এই হামলার দায় পাল্টা চাপায় মার্কিন বাহিনীর উপর। আমেরিকা তার জবাবে ইরানের বেশ কিছু ঘাঁটি লক্ষ্য করে বোমা ফেলেছিল। পাল্টা পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন ঘাঁটিকে নিশানা করেছিল তেহরানও। কুয়েত এবং বাহরিনে তারা বোমাবর্ষণ করেছিল। এই সংঘর্ষ চলেছে শনিবার পর্যন্ত। হরমুজ়ে পানামার পতাকাবাহী একটি তেলের ট্যাঙ্কারেও হামলা হয় এই সময়।
হুঁশিয়ারির সুরে ট্রাম্প বলেছিলেন, এ ভাবে চলতে থাকলে সামরিক শক্তি ফের প্রয়োগ করতে বাধ্য হবে ওয়াশিংটন। সে ক্ষেত্রে ইরানের আর কোনও অস্তিত্বই থাকবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের সমালোচনা করে পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয় তেহরানও। এই পরিস্থিতিতে কিছু দিন আগে স্বাক্ষরিত সংঘর্ষবিরতির চুক্তি প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার দু’পক্ষই সংঘর্ষ থামাতে রাজি হয়েছে বূলে দাবি করল ওয়াশিংটন।