আর্জেন্টিনাকে আটকে রেখে দুরন্ত স্পেন জিতে নিল বিশ্বকাপ
অনলাইন ডেস্ক, কলকাতা: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের মহারণে শেষ হাসি হাসল স্পেন। নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের নিউ ইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল স্প্যানিশরা। ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি উঠল স্পেনের হাতে। অন্যদিকে, টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার।ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ তৈরিতে আধিপত্য বিস্তার করে স্পেন। লামিন ইয়ামাল, নিকো উইলিয়ামস এবং পেদ্রিদের গতিময় ফুটবলে একের পর এক চাপে পড়ে আর্জেন্টিনা। তবে গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ অসাধারণ সব সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হওয়া ম্যাচে স্পেনের একাধিক আক্রমণ ব্যর্থ হয়, এমনকি দুটি গোলও বাতিল হয়।ম্যাচের শেষ দিকে আর্জেন্টিনা বড় ধাক্কা খায়। মাঝমাঠের ভরসা এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আলবিসেলেস্তেরা। সেই সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগাতে দেরি করেনি স্পেন। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের নিখুঁত ক্রস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো ফিনিশে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন। সেই একমাত্র গোলই নির্ধারণ করে দেয় বিশ্বকাপের ভাগ্য।পুরো ম্যাচে স্পেনের রক্ষণ ও মিডফিল্ড ছিল দুর্দান্ত সংগঠিত। আর্জেন্টিনা আক্রমণে কার্যত নিষ্প্রভ ছিল এবং ম্যাচজুড়ে খুব কম সুযোগ তৈরি করতে পারে। লিওনেল মেসিকেও শক্তভাবে আটকে রাখে স্পেনের রক্ষণভাগ। অন্যদিকে লামিন ইয়ামাল আবারও নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে স্পেনের আক্রমণের অন্যতম প্রধান অস্ত্র হয়ে ওঠেন।এই জয়ের মাধ্যমে স্পেন ইউরো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বিশ্বকাপও জিতে নিজেদের নতুন সোনালি প্রজন্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করল। লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল, দুর্দান্ত প্রেসিং এবং রক্ষণাত্মক দৃঢ়তাই তাদের বিশ্বসেরার মুকুট এনে দিল। অন্যদিকে, লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো রানার্স-আপ হিসেবেই