শনিবার | ১৭ অক্টোবর ২০২৬

পুজোয় গান মুক্তি, কনসার্টের ব্যস্ততা পেরিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো

 পুজোয় গান মুক্তি, কনসার্টের ব্যস্ততা পেরিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো

অন্বেষা দত্তগুপ্ত (গায়িকা)

পুজো মানেই নতুন গান, নতুন সুর আর উৎসবের আমেজ। সুরিন্দর মিউজিক থেকে বেশ কিছু গান মুক্তি পেয়েছে। শমীকদা (সিনহা)-র জন্য একটি গান রেকর্ড করেছিলাম, সেটিও প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে ত্রিধারার থিম সং এবং এরকমই আরও কিছু। প্রতি বছরই পুজোকে ঘিরে আমার কিছু না কিছু কাজ থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আরও কয়েকটি কাজ রয়েছে, যেগুলি আগামী দিনে প্রকাশিত হবে। ছোটোবেলায় পুজো বলতে ছিল নতুন জামা, ঠাকুর দেখা আর উৎসবের আনন্দ। কিন্তু স্কুলে পড়ার সময় থেকেই পেশাদার ভাবে কাজ শুরু করে দিয়েছিলাম। ফলে একটা সময়ের পর থেকেই পুজোর মরসুমে লাইভ শো, অনুষ্ঠান আর কনসার্টের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। সাধারণ মানুষের কাছে পুজো মানে ছুটি, কিন্তু শিল্পীদের ক্ষেত্রে ছবিটা অনেকটাই আলাদা। গত বছরই আমেরিকার ছয়-সাতটি শহরে কনসার্ট ছিল। এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠান করেছি। কখনও হায়দরাবাদ, কখনও দিল্লি, আবার কখনও মুম্বই— এ ভাবেই কেটে যায় পুজোর সময়টা। তবে এ বার অনেক বছর পর পুজোয় কলকাতায় থাকার সুযোগ পেয়েছি। পুজোর আশপাশে বেশ কিছু অনুষ্ঠান থাকলেও পুজোর মূল কয়েকটা দিন আমি একেবারেই ফাঁকা। তাই এ বার পরিকল্পনা একটাই, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। বাড়িতে মাসিরা এলে জমিয়ে আড্ডা হবে, গল্প হবে, সঙ্গে চলবে খাওয়া-দাওয়া। আসলে কাজের ব্যস্ততায় পরিবারের সঙ্গে এমন অবসর সময় কাটানোর সুযোগ খুব একটা হয় না। তাই এ বার এই সময়টুকু নিজের মতো করে উপভোগ করতে চাই। পুজোর খাওয়া-দাওয়ার মধ্যে ভোগের প্রতি আমার বিশেষ টান রয়েছে। বাড়িতে নানা রকম পদ তো হবেই, কিন্তু পুজোর ভোগ খাওয়ার আনন্দটাই আলাদা। গত কয়েক বছর এমন করে পুজো কাটানোর সুযোগ হয়নি। এবার সেই সুযোগ পেয়েছি বলে বেশ লাগছে।

সাক্ষাৎকার- আনন্দিতা সরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *