শনিবার | ১৮ এপ্রিল ২০২৬

নানারকম খবর

 নানারকম খবর

পশ্চিমবঙ্গে স্টার হেলথ ইনশিওরেন্সের সাফল্য

কলকাতা, ১৮ এপ্রিল : ভারতের বৃহত্তম একক খুচরো স্বাস্থ্য বিমা কোম্পানি, স্টার হেলথ ও অ্যালায়েড ইনশিওরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, পশ্চিমবঙ্গে তার উপস্থিতি আরও নিবিড় করছে এমন এক সময়ে যখন আরও জোরদার সচেতনতা আর বিমা সংস্থা ক্রমশ আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার কারণে, এই রাজ্যে সংগঠিত স্বাস্থ্য বিমা গ্রহণে আরও বেশি সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে। কোম্পানির জন্য পশ্চিমবঙ্গ একটা গুরুত্বপূর্ণ বাজার, যা আকার, পরিষেবার গুণমান ও প্রযুক্তিচালিত ডেলিভারির মধ্যে দিয়ে খুচরো স্বাস্থ্য বিমার বৃহত্তর সম্প্রসারণের প্রতিফলন। স্টার হেলথ ইনশিওরেন্সের এমডি অ্যান্ড সিইও আনন্দ রায় বললেন, “পরিবারগুলো যেভাবে আর্থিক প্রস্তুতি, স্বাস্থ্য পরিচর্যার নাগাল এবং পরিচর্যা চালু রাখা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে তার মধ্যে স্বাস্থ্য বিমার ভূমিকা ক্রমশ বেশি করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সচেতনতা যত বাড়ছে আর এই ক্যাটেগরির প্রতি প্রত্যাশা আরও তীক্ষ্ণ হচ্ছে, তত একজন বিমাকারীর ভূমিকা প্রোডাক্টের সহজলভ্যতা ছাড়িয়ে অনেকদূর চলে যাচ্ছে।”

লিভারের অসুখে ক্লেম বেড়েছে

১৮ এপ্রিল, ২০২৬: ভারত এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে প্রায় উপেক্ষিত লিভার-সংক্রান্ত স্বাস্থ্য সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের মতে, এনএএফএলডি (নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ) জনসংখ্যার ৯% থেকে ৩২%-কে প্রভাবিত করে, যা প্রায় প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনকে আক্রান্ত করে এবং এটিকে একটি ‘নীরব মহামারী’ হিসাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। লিভার-সম্পর্কিত অসুস্থতার কারণে মৃত্যু ইতোমধ্যেই মোট মৃত্যুর ৬৬%-এরও বেশি, এবং ক্রমবর্ধমান চিকিৎসা খরচ এটিকে একটি ক্রমবর্ধমান আর্থিক বোঝায় পরিণত করছে। বিশ্ব লিভার দিবস উপলক্ষে, কেয়ার হেল্থ ইন্স্যুরেন্সের তথ্য ব্যক্তি ও পরিবার উভয় স্তরেই এই চ্যালেঞ্জের তীব্রতা তুলে ধরেছে। এই গবেষণার ফলাফলের উপর মন্তব্য করতে গিয়ে কেয়ার হেল্থ ইন্স্যুরেন্সের চিফ অপারেটিং অফিসার মনীশ দোদেজা বলেন, “লিভারের রোগ এখন আর একটি সংকীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি এমনভাবে বাড়ছে যা ক্রমশ উদ্বেগজনক। আমরা এর ধরন এবং তীব্রতা উভয় ক্ষেত্রেই একটি স্পষ্ট পরিবর্তন লক্ষ্য করেছি। আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, অল্পবয়সী প্রজন্ম প্রভাবিত হচ্ছে এবং পরিবারগুলোর উপর আর্থিক প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে আরও ভারী হয়ে উঠছে। এটি কেবল একটি চিকিৎসাগত সমস্যা নয়; এটি ক্রমশ একটি অর্থনৈতিক সমস্যাও হয়ে উঠছে। তাই, প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য পর্যায়ক্রমে তাদের স্বাস্থ্য বীমা পর্যালোচনা করা এবং তাদের বীমার পরিমাণ যেন এই ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির সাথে তাল মিলিয়ে চলে তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

মতিলাল অসওয়ালের রিপোর্ট

কলকাতা, ১৮ এপ্রিল : অক্ষয় তৃতীয়ার সঙ্গে ভারত যখন নতুন আর্থিক বছরের সূচনা করে, তখন সোনা একটি জটিল বৈশ্বিক পটভূমিতে ঐতিহ্যের ভারসাম্য বজায় রাখে। মতিলাল অসওয়াল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের সাম্প্রতিক একটি কমোডিটি ইনসাইট রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৬ সালে সোনার দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্বের নানা ভৌগোলিক সমস্যা, মন্থর আর্থিক গতির মতো নানা কারণে সোনার দামে এই পরিবর্তন আসছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এই রিপোর্টে।  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *