ওয়াশিংটন, ৩ সেপ্টেম্বর : ইরানের সঙ্গে কোনও দেশ চুক্তি করলেই সেই দেশের ওপরেও আর্থিক নিষেধাজ্ঞা চাপাবে আমেরিকা, নিজেদের অবস্থান এভাবেই স্পষ্ট করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনার মাঝেই সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সম্প্রতি বৈঠক করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের দাবি, দিল্লি এবং তেহরানের মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি বলেই মনে করছে তারা। পাশাপাশি নিজেদের অবস্থানও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে আমেরিকার তরফে।
সোমবার কিরগিজ়স্তানের রাজধানী বিশকেকে ‘সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজ়েশন’ (এসসিও)-এর সম্মলেন যোগ দেন মোদী। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের পাশাপাশি ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজ়েশকিয়ানও যোগ দেন ওই সম্মেলনে। সোমবার সেই সম্মেলনের ফাঁকে পেজ়েশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন মোদী। বৈঠক নিয়ে বিদেশ মন্ত্রক যে বিবৃতি দিয়েছে, তাতে কোথাও বাণিজ্যের বিষয়ে আলোচনার কথা উল্লেখ নেই। পেজেশকিয়ানও এমন কিছু দাবি করেননি। তবে ভারতের সঙ্গে ইরানের যেহেতু একটি কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে তাই এই বৈঠকের দিকে নজর ছিল আমেরিকার।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ় রেডিয়ো’য় এক সাক্ষাৎকারে বুধবার এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিওকে। জানতে চাওয়া হয়, মোদী এবং পেজ়েশকিয়ানের মধ্যে কোনও বাণিজ্যচুক্তি হচ্ছে কি না। উত্তরে রুবিও বলেন, ‘আমার মনে হয় না ভারত এবং ইরানের মধ্যে কোনও বাণিজ্যচুক্তি হচ্ছে। প্রতিটি দেশই নিজ নিজ বিদেশনীতি তৈরি করে। বিশ্বে এমন অনেক দেশ রয়েছে, যারা ইরানের সরকারের সঙ্গে বৈঠক করে। আমরাও (আমেরিকাও) ইরান সরকারের বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছি।’ পাশাপাশি রুবিও বলেন, ‘কোনও দেশেরই এমন কোনও ব্যবস্থা তৈরিতে ইরানকে সাহায্য করা উচিত নয়, যা থেকে তারা (ইরান) আয় করতে পারে।’