বাসব মৈত্র
রক্তে মিশে আছে সিঁথি মোড়, মিশে আছে শংকরদার চায়ের দোকান।রক্তে মিশে আছে বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর ‘চরাচর’-এর বাইক। রক্তে মিশে আছে বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর ‘ লাল দরজায় ‘ শুভেন্দুর দাম্পত্যের ময়ূরহীন জলপ্রপাত। দুপুরের খাঁ খাঁ লঞ্চে স্টিমারের রেলিং। রক্তে মিশে আছে মন— যৌনতার পাঁচ মেশালি কাক। ঘটিগরম কৌটোর ঝনাত —
চোখের তারায় তারায় প্রতিদ্বন্দ্বীর নায়কোচিত উষ্মা। রক্তে মিশে আছে ‘ মেঘে ঢাকা তারা’র নীতা। মিশে আছে ‘দাদা আমি কিন্তু বাঁচতে চেয়েছিলাম’-এর প্রতি অনাস্থা। যৌন হাহাকারে মিশে আছে তোমার অশ্বত্থ নাগরিক মুখ, রক্তে মিশে আছে অরণ্য বৃক্ষের দ্বিচারিতার নোঙর, আদিম সিঁড়ির বজ্রগুণ হাহাকার।রক্তে মিশে মৃত্যুর লাল মেঝে। মিশে আছে গঙ্গার পাড়। মুখাগ্নি ফিরে আসা যুবক।আর্ত চিৎকারে ভেসে যাওয়া অদাহ্য নাভির ছলাৎ গঙ্গা মাটি।