ছাত্র বিক্ষোভে পুলিশি মারধোর নিয়ে বিরোধীদের বিক্ষোভ, মুলতুবি সংসদের অধিবেশন

নয়াদিল্লি, ২৮ জুলাই : বিরোধীদের হট্টগোলে উত্তপ্ত হয়ে উঠল সংসদের অধিবেশন। নিটকান্ডে ছাত্রবিক্ষোভের ইতিমধ্যে পদত্যাগ করতে হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। দাবি পূরণ হওয়ায় ককরোচ জনতা পার্টির অবস্থানও উঠে গিয়েছে। কিন্তু এই আন্দোলনে যেভাবে কেন্দ্রের শাসকদল অস্বস্তিতে পড়েছে তাকে পুরোদমে কাজে লাগাতে চাইছে বিরোধীরা।

            সংসদে এবার বিরোধী দাবি তুলেছে, ছাত্রবিক্ষোভে পুলিশি মারধরের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ক্ষমা চাইতে হবে। আর বিরোধী সাংসদদের হইহট্টগোলের জেরে মঙ্গলবার দুপুর ২টো পর্যন্ত সংসদের দুই কক্ষের অধিবেশনই মুলতুবি করে দেওয়া হয়েছে। সোমবারের পর মঙ্গলবারও আন্দোলনরত পড়ুয়াদের উপর পুলিশি ‘দমনপীড়নের’ প্রতিবাদে সংসদের ভিতরে-বাইরে সুর চড়ান বিরোধীরা। পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের লক্ষ্যে সোমবার সংসদে সংশোধনী বিল এনেছে কেন্দ্র। মঙ্গলবার এই বিল নিয়ে লোকসভায় আলোচনা হওয়ার কথা। তবে সকাল থেকেই বিরোধী-বিক্ষোভে উত্তাল হয় সংসদ। দিল্লিতে পড়ুয়াদের ‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ’ ঠেকাতে কেন ছর্‌রা গুলি বা পেলেট গানের মতো অস্ত্র ব্যবহার করা হল, তা নিয়ে পুলিশ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে নিশানা করেছে বিরোধী দলগুলি।

            একইভাবে পাল্টা বিরোধীদের চাপে ফেলতে পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সংসদের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসকজোট এনডিএ-র সাংসদেরা। আপ-শাসিত পঞ্জাবেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। এনডিএ-র সাংসদেরা এই বিষয়ে আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীওয়ালের জবাব দাবি করেন। বিক্ষোভে দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচিত রাজ্যসভার দুই বিজেপি সাংসদ সুস্মিতা দেব, রাহুল সিন্‌হাকে।

Sumit Chakraborty: