কলকাতা, ১১ জুন – আদালতের নির্দেশ মেনে নির্ধারিত সময়ের আগেই ভবানীভবনে পৌঁছে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জাল কান্ডে তাকে পরপর তিনবার নোটিস পাঠায় সিআইডি। রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন অভিষেক। বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দেয়, তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সহযোগিতা করতেই হবে। আর আজই তাকে সন্ধ্যে ৬ টার মধ্যে পৌঁছতে হবে ভবানীভবনে। তবে সিআইডি এখনই তার বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করতে পারবে না। দু’সপ্তাহ পরে এই মামলার আবার শুনানি হবে। তত দিন পর্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না অভিষেকের বিরুদ্ধে, জানিয়ে দিয়েছে আদালত।
এদিন দিল্লি থেকে কলকাতা ফিরেই কালীঘাট রোডের বাড়িতে পৌঁছে যান অভিষেক। সেখানে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে বিকেল ৫ টা ৪৩ মিনিটে রওনা হন ভবানীভবনের উদ্দেশ্যে। আগে থেকেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল ভবানীভবন। ঠিক ৫ টা ৫০ মিনিটে সেখানে প্রবেশ করেন তৃণমূল সাংসদ। নিয়মানুযায়ী রেজিস্টারে সই করে ভেতরে ঢুকে যান।
বিধানসভায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের তরফে স্পিকারকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েই বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ, চিঠিতে অনেকের সইয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। অনেকের দাবি, তারা স্বাক্ষর করেননি। কারও কারও নাম লেখা হয়েছে ব্লক লেটারে! সেই চিঠিতে দলের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে অভিষেকের সই ছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তার বাড়িতে গিয়েছিল সিআইডি। নোটিসও ধরানো হয় অভিষেককে। কিন্তু তিনি এক বারও হাজিরা দেননি।
বৃহস্পতিবার বিমানবন্দরে নামার পরেই সেখানে ‘চোর-চোর’ স্লোগান শুনতে হয়েছে অভিষেককে। তবে সংবাদমাধ্যম নানা প্রশ্ন করলেও কোনও উত্তর দেননি অভিষেক। বাড়িতে যাওয়ার পরেই সেখান থেকে চলে যান ভবানীভবনে।