রবিবার | ০১ মার্চ ২০২৬

ঠিকাদারী নিগোসিয়েশন বাণিজ্য নিয়েসালেমায় বিজেপির দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আহত ২, উত্তেজনা

 ঠিকাদারী নিগোসিয়েশন বাণিজ্য নিয়েসালেমায় বিজেপির দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আহত ২, উত্তেজনা

দৈনিক সংবাদ অনলাইন ডেস্ক, ২৮ ফেব্রুয়ারী: শাসক দল বিজেপির অভ্যন্তরীণ বিবাদের প্রকাশ ঘটেছে বাইশ ফেব্রুয়ারী। বিবাদ শেষ পর্যন্ত প্রকাশ্যে চলে আসে। হামলায় আহত হন দুইজন। একজনের হাত ভেঙে তিন টুকরো হয়েছে। লোহার রড দিয়ে বারবার আঘাত করে ভেঙে দেওয়া হয় হাত। কুলাইতে আহত অঞ্জন দেব এখনও জেলা হাসপাতালে। হাত ঠিক করতে সহসাই অপারেশন হবে বলে দলেরই একজন জানান। বলা দরকার, বাইশ ফেব্রুয়ারী রাতে ঘটনা ঘটে সালেমা থানা থেকে দশ হাত দূরে কমলপুর-আমবাসা রোডে। হামলার সময় সালেমা পঞ্চায়েত সমিতির এক কর্তা উপস্থিত ছিলেন। এই উপস্থিতি কৌশলগত বলে দলেরই একটি সূত্রে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ঘটনাস্থলে আগে থেকেই জমায়েত ছিল হামলায় যুক্তরা। বাড়ি যাওয়ার পথে আসে আরও কয়েকজন। আসেন কর্তা। তুচ্ছ কথার সূত্রে হামলা হয়। দুইজন আহত হন। একজনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই হচ্ছে ঘটনা। ঘটনাস্থলে কতিপয় পুলিশ কর্মী ছিলেন। ঘটনা ঘটে সবার উপস্থিতিতে। অঞ্জন দেব হাসপাতালে যাওয়ার আগে দশ হাত দূরে সালেমা থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেন। হামলাবাজদের নাম জানিয়ে যান। সাহায্য করেন সেই কর্তা। অর্থাৎ কৌশলগত অবস্থান। তিনজনই বিজেপি কর্মী। ঘটনার পর চব্বিশ ফেব্রুয়ারী সকালে গ্রেপ্তার হয় তিনজন। তাদের জামিন মহকুমা আদালতে নামঞ্জুর হয়। তিনদিনের জন্য পাঠানো হয় জেলে। সালেমা ও সংলগ্ন অঞ্চলের বিজেপি কর্মী ও নেতাদের অধিকাংশ ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না। অনৈতিক কাজ ও দলের অভ্যন্তরীণ বিবাদ প্রকাশ্যে ঘটেছে বহুবার। সেই সঙ্গে দুর্নীতির প্রতিটি ঘটনা চলে আসে প্রকাশ্যে। ঠিকাদারী কাজের নামে প্রতিটি ক্ষেত্রেই হচ্ছে দশনম্বরী কাজ। কাজ শুরুর আগেই নেতাদের কমিশন দিয়ে দিতে হয়। কমিশনের পরিমাণ মারাত্মক। গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনই বিজেপিকর্মী। সালেমায় যা হয়েছে ও হচ্ছে সবকিছুর জন্য দায়ী শাসক দলের দুই-তিন নেতার অনৈতিক কাজ। ঠিকাদারী বাণিজ্য, দলের চেয়ে বাণিজ্যকে প্রাধান্য দেওয়া একক নেতৃত্ব দেবার মানসিকতা ও অর্থনির্ভর রাজনীতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *