পিভিসি রেশন কার্ড বিলির সূচনা,গণবণ্টন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করছে বিজেপি সরকার: সুশান্ত!!
ঘুমন্ত প্রতিভাকে জাগিয়ে তুলতে পারলে সাফল্য নিশ্চিত: রতন!!

অনলাইন প্রতিনিধি :-যদি অর্ধনারীশ্বর দেবতা রূপে মানুষের কাছে পূজিত হয়, তাহলে সমাজে বৃহন্নলারা কেন অবহেলিত হবে। তাদেরও সমাজে সম্মান জানাতে হবে। এই আহ্বান রেখে শ্রীশ্রী রবি শংকর বিদ্যামন্দির আয়োজিত দুদিনব্যাপী শ্রীশ্রী এডুফেস্ট ২০২৫ উদ্ভাবনম ৩.০ বৃহস্পতিবার সমাপ্তি হলো। বিভিন্ন স্কুল থেকে সায়েন্স এগজিবিশনে যোগদান করে ছাত্রছাত্রীরা। এদিনে এগজিবিশন ছিল একেবারে ব্যতিক্রমী। ধর্ম এবং বিজ্ঞানকে এক সুতোয় বেঁধে স্কুল গোটা সমাজের কাছে এক অভিনব বার্তা পৌঁছে দিল।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রাজ্য বিদ্যুৎ ও কৃষি উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী রতনলাল নাথ স্কুলের এই প্রতিযোগিতার পরিবেশে এতটাই আপ্লুত হয়েছেন যে, তিনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেন এই স্কুলে পাঠরত যেকোন ক্লাসের একজন গরিব ছাত্র ও ছাত্রীকে স্কুলে পড়ার সমস্ত খরচ তিনি বহন করবেন। তার জন্য স্কুলের প্রিন্সিপাল বীণা দেবী হরিজনকে দায়িত্ব দিলেন স্কুলের সেই ছাত্র এবং ছাত্রীকে নির্বাচন করতে। স্কুলের তিন খুদে ছাত্রছাত্রীকে মঞ্চে পাশে বসিয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন এবং বক্তব্য রাখলেন। মুখ্য অতিথির ভাষণে তিনি বলেন, প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর মধ্যে প্রতিভার একটা ঘুমন্ত শিশু রয়েছে। তাকে জাগরিত করতে বললেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যখন ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের ঘুমন্ত প্রতিভাকে আবিষ্কার
করতে পারবে তখন তার সাফল্য আবশ্যই আসবে। বর্তমান প্রতিযোগিতার বাজারে নিজেদের ইউনিক করার পাশাপাশি মানবিক হতে বলেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর মহকুমা প্রশাসক সুভাষ দত্ত, স্কুলের অধিকর্তা সুনীল চন্দ্র বান্দা, স্কুলের অধ্যক্ষা বীণা দেবী হরিজন সহ অন্যরা।
গণেশ পুজোর আলোকপাত করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই পুজো আমাদের জীবনে একটি বিশেষ শিক্ষা দেয়। তা হলো ধৈর্য ধরা, জ্ঞানী এবং বিনয়ী হওয়ার। জীবনে অহংকারকে ধ্বংস করতে পারলেই সাফল্যের পথ সুগম হবে।ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রীর আহ্বান ভবিষ্যতে রাম হবেনা রাবণ হবে,কৃষ্ণ হবে না কংস হবে তা ঠিক করতে হবে তোমাকেই। স্কুলের পরিবেশ এবং সায়েন্স এগজিবিশনে স্কুলের ছাত্রছাত্রী এবং বাইরে থেকে আসা ছাত্রছাত্রীদের বাচনভঙ্গি এবং মডেলগুলি নিয়ে তাদের সাথে কথা বলে খুশি ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, গোটা পৃথিবীকে এবং দেশকে উন্নত পর্যায়ে বদলানোর ক্ষমতা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেই রয়েছে। তাই ভবিষ্যতে তাদের জীবনকে উন্নত করতে হলে তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে বললেন মন্ত্রী।
ডিগ্রি লাভের সাথে সাথে ভালো ইংরেজি শিক্ষা,অংক এবং হাতের কাজ শিখতে বলেন। তার উপমা টেনে বলেন যে দেশে জ্ঞানের সংখ্যা বেশি সে দেশ তত উন্নত। তবে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হলেও ভালো ব্যক্তি না হলে সেই শিক্ষার কোনও মূল্য থাকে না সমাজে। অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কুইজ করেন মন্ত্রী এবং নিজের থেকে তাদের পুরস্কারও বিতরণ করেন।স্কুলের সোলার লাইটের বিষয়টির স্কুলে দাঁড়িয়ে সমস্যা সমাধান করে দিলেন।