শুক্রবার | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

স্মার্ট সিটির কাজকর্মের ঠেলায় ধুলোয় একাকার গোটা রাজধানী!!

 স্মার্ট সিটির কাজকর্মের ঠেলায় ধুলোয় একাকার গোটা রাজধানী!!

দৈনিক সংবাদ অনলাইন ডেস্ক,:-স্মার্ট সিটির কাজকর্মে গোটা আগরতলাই যেন বর্তমানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এর জেরে প্রভাব পড়েছে শহরের ব্যস্ততম জনজীবনে।ব্যবসায় এর প্রভাব পড়ছে সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে স্মার্ট সিটির কাজকর্মে পরিকল্পনার যথেষ্ট অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।এতে গোটা শহর জুড়ে এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে, চলাফেরা করা প্রায় দায় হয়ে পড়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থা এর ও মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। জানা গেছে, স্মার্টসিটির কাজকর্মের জন্য গোটা দেশে বাছাই করা শহরের জন্য এই প্রকল্পের সূচনা হয়। এতে আগরতলাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মূলত শহরের যাবতীয় পরিকাঠামো উন্নত করতেই এই প্রকল্পের সূচনা হয়। এতে দেশের ১০০ টি শহরকে এই প্রকল্পের অর্ন্তভুক্ত করা হয়। সম্প্রতি রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় শহরোন্নয়ন মন্ত্রী আসামের এক সাংসদের প্রশ্নের উত্তরে জানান, ইতোমধ্যেই স্মার্ট সিটির প্রকল্প শেষ হয়ে গেছে দেশে। নতুন করে আরও শহরকে স্মার্ট সিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সরকারের আপাতত কোনো ভাবনাচিন্তা নেই। প্রশ্ন হল, স্মার্ট সিটির প্রকল্প শেষ হয়ে যাবার পর আগরতলা জুড়ে বর্তমানে স্মার্টসিটির কাজ এত জোরকদমে চলার কারণ কী? এতদিন কাজ এত ঢিমেতালে হয়েছে কেন? এতদিন স্মার্ট সিটি মিশনের কাজ কী চলছিল?বর্তমানে স্মার্ট সিটির কাজের ঠেলায় শহরের রাস্তাঘাটের চলাফেরা করাই যাচ্ছে না। যে ড্রেনগুলিকে কভার ড্রেন করা হয়েছে সেগুলি বিজ্ঞানসম্মত হয়েছে কিনা তা বর্ষাকালে ড্রেন দিয়ে জল গেলে তবেই বোঝা যাবে। বর্তমানে আন্ডারগ্রাউণ্ড ইলেকট্রিফিকেশনের জন্য বসানোর কাজ চলছে।সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, কাজগুলির গুণমান রক্ষিত হচ্ছে কিনা তা দেখভালের কেউ নেই। রাস্তাঘাটে কিছু ড্রজার, লেবার-তাদের উপরই যেন গোটা কাজ ছেড়ে রাখা হয়েছে। এখন তো আবার দেখা যাচ্ছে, দামী টিন দিয়ে বেড়া দিয়ে ফ্লেক্স টাঙিয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে যে যানবাহন যেন ধরে চালানো হয়। এতে বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বঁড় হয়ে যাচ্ছে নাতো?
স্মার্ট সিটির এই খোঁড়াখুড়ির ঠেলায় গোটা রাজধানী শহর এখন ধুলোময় হয়ে রয়েছে। এই ধুলোর যন্ত্রনায় শহরবাসী এখন মুখে রুমাল চাপা দিয়ে চলাফেরা করছেন। শুধু রুমাল দিয়েও ধুলোর হাত থেকে পরিত্রাণ নেই। মাস্ক ব্যবহার করছেন বেশিরভাগ মানুষজন। কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, পুর কর্পোরেশনের কোনো মাথাব্যথা নেই। পুর করর্পোরেশনের গাড়ি ইচ্ছে করণেই শহরের রাস্তাগুলিতে ধুলার হাত থেকে পরিত্রাণের জন্য কিছুক্ষণ অন্তর অন্তর জল ঢালতে পারে। কিন্তু ওসবের কোনো বালাই নেই। কালেভদ্রে এক গাড়ি জল ঢেলেই কাজ খালাস। ফলে একদিকে স্মার্ট সিটি খোঁড়াখুড়ি অন্যদিকে ধুলো উড়ছে আগরতলার বাতাসে। ভুক্তভোগীরা এর হাত থেকে পরিত্রাণ চাইছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *