সোমবার | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রোজগারের পথ দেখাচ্ছে আখ চাষ!!

 রোজগারের পথ দেখাচ্ছে আখ চাষ!!

দৈনিক সংবাদ অনলাইন ডেস্ক,২২ ফেব্রুয়ারী:-কৃষিকাজ জীবনে বেঁচে থাকার অন্যতম অবলম্বন। ঋকৃষক তার উৎপাদিত ফসল বিক্রি করে আর্থিক দিক থেকে নিজেদের স্বাবলম্বী করে তুলতে চায়। বহুমাত্রিক উৎপাদনমুখী কৃষি কাজের সঙ্গে গ্রামের লোকজন জড়িত। কৃষি তাদের ভরসা এবং ভরসার বড় অবলম্বন। তবে এখন অনেক কৃষক পারিবারিকভাবে নানারকম কাজের সঙ্গে যুক্ত। কেউ ধান চাষ করছে, কেউ মাছ চাষ কেউ সবজির ফলন। আবার কেউ কেউ বাড়িতে গবাদি পশু, হাঁস-মোরগ প্রতিপালন করে আর্থিকভাবে শক্তিশালী হতে চায়। ঋষ্যমুখ ব্লক এলাকার উত্তর সোনাইছড়ি গ্রামে অনেক লোক দীর্ঘদিন ধরে আখ চাষ করে আসছেন।
 ছোটবেলায় দেখা মুহুরী নদীর চড় অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে শুধু আখের ক্ষেত। অঞ্চলের লোকদের কাছে আখ ছিলো খুব উপকারী উৎপাদিত ফসল। মুহুরী চড়ের আশপাশ অঞ্চলের বাড়িগুলোতে গুড় উৎপাদন করা হতো। এখনো হয় তবে তা হাতে গোনা কয়েকজনে করে। কৃষি কাজে এখন আর মানুষ আখ চাষের জন্য তেমনভাবে কৃষি জমি মুখী হয় না। কিন্তু এর মধ্যে ব্যতিক্রম ঋষ্যমুখ ব্লক এলাকায় উত্তর সোনাইছড়ি বহু কৃষক! প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে দাঁড়িয়ে পারিবারিক কৃষিকাজের এই পেশাকে আজও আঁকড়ে রেখেছে। উত্তর সোনাইছড়ির বহু কৃষক জানিয়েছেন ফসল বাজারে তুলতে একটা মোক্ষম সময় আছে। পুজোর মরশুমে আখের চাহিদা অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। তখন আখের ভালো মূল্য পাওয়া যায়। উত্তর সোনাইছড়ির গ্রামের জনৈক কৃষক দ্বিজেন্দ্র দে, নারায়ণ মজুমদার সহ অনেক কৃষক জানিয়েছেন, এই বছর সরস্বতী পুজোতে প্রচুর পরিমাণ আখ তারা বাজারজাত করেছেন। এই বছর এখন পর্যন্ত আখ উৎপাদন করে বাজারে বিক্রি করেছেন প্রায় দুই লক্ষ টাকার মতো। উপযুক্ত মূল্যও পেয়েছেন। সরস্বতী পুজোয় প্রচুর চাহিদা থাকে আখের। আর এই সময়টার জন্য অপেক্ষা করেন আঁখ চাষিরা। শুধু সরস্বতী পুজো নয়, যেকোনো পুজোতে আখের চাহিদা অনেক বেশি। বহু কৃষক জানিয়েছেন এই পেশাটা তাদের কাছে অন্তত লাভজনক। আমাদের গ্রামীণ পারিবারিক অর্থনীতিতে আখ চাষ আমাদের কাছে একটি অতি প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য বিষয়। আমাদের মন আখ ক্ষেতে সবসময় পড়ে থেকে। অনেকে বলেন, কম খরচে অধিক লাভজনক ও নগদ অর্থে বিক্রি হওয়ায় আখ চাষে তুলনামূলক উৎপাদন খরচ কম। প্রতি বছর এই গ্রামে কতিপয় কৃষক আখ চাষ করে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *