শনিবার | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রাজ্যে পুনর্নিয়োগের হিড়িক পড়েছে, ক্ষোভ

 রাজ্যে পুনর্নিয়োগের হিড়িক পড়েছে, ক্ষোভ

দৈনিক সংবাদ অনলাইন ডেস্ক, ২০ ফেব্রুয়ারী: ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে বেকারদের বঞ্চিত করে, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের রি-অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেওয়ার হিড়িক পড়েছে। এবার অভিযোগ উঠেছে রাজ্য সরকারের অধিকৃত পিএসইউ ত্রিপুরা হস্ততাঁত ও হস্তকারু শিল্প উন্নয়ন নিগম (পূর্বাশা) থেকে। অভিযোগ, রি-অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া তিন কর্মচারীকে পুনরায় চাকরিতে পুনর্বাসন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে পূর্বাশার কর্মচারীদের মধ্যেও ক্ষোভ ও বিস্ময় তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং দুপুরে ত্রিপুরা হস্ততাঁত ও হস্ত কারুশিল্প উন্নয়ন নিগমের (পূর্বাশা) প্রধান কার্যালয়ে নিগমের চেয়ারম্যান (ত্রিপুরা সরকারের তাঁত কারু ও রেশম শিল্প দপ্তরের সচিব) এল টি ডারলংয়ের পৌরোহিত্যে নিগমের বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ, উক্ত বোর্ড মিটিংয়ে নিগমের অবসপ্রাপ্ত তিন কর্মচারীকে আরও চার মাসের জন্য পুনর্নিযুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সবথেকে বিস্ময়কর ঘটনা হলো, এই তিন কর্মচারীর মধ্যে একজন আগেই এক বছর, আরেকজন গত টানা দুই বছর এবং আরেকজন ছয় মাস পুনর্নিযুক্তি নিয়ে কাজ করেছেন। এই তিনজনকে আবারও চার মাসের জন্য পুনর্নিযুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এখানেই শেষ নয়, ওই তিন কর্মচারীকে অর্থ দপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই পুনর্নিযুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। পূর্বাশা সূত্রের খবর, বোর্ড মিটিংয়ে পূর্বাশার এমডি ওই তিন কর্মচারীকে পুনরায় নিয়োগ করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছেন। মিটিংয়ে চেয়ারম্যান/ সেক্রেটারি নাকি উল্লেখ করেছেন, অবসরে যাওয়া যে সমস্ত কর্মচারীদের পুনর্নিয়োগের জন্য ফিনান্স দপ্তরের একবার অনুমোদন নেওয়া হয়েছে, তাদের পুনর্নিয়োগের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য বোর্ড সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু অভিযোগ, তিনজনের পুনর্নিয়োগের জন্য অর্থ দপ্তর কোনো অনুমোদন কখনোই দেয়নি। উল্লেখ্য, অর্থ দপ্তরে তাদের পুনর্নিয়োগের অনুমোদনের জন্য ডিরেক্টরের মারফত ফাইল প্রেরণ করা হয়েছিল। কিন্তু অর্থ দপ্তর এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ফাইল ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। এখন পূর্বাশাতে যদি উপরোক্ত তিনজনকে পুনরায় নিযুক্ত করা হয়, তাহলে তা হবে সম্পূর্ণ বেআইনি। এমনটাই অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *