January 8, 2026

বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার ভেজাল ঠেকাতে নেই অভিযান!!

 বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার ভেজাল ঠেকাতে নেই অভিযান!!

অনলাইন প্রতিনিধি :-বাজারে প্রক্রিয়াজাত ভেজাল খাদ্য, প্যাকেটজাত মেয়াদ-উত্তীর্ণ খাবারের জিনিস, অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া – এই সবের বিরুদ্ধে আগে সদর এনফোর্সমেন্ট টিম বাজারে ও বিভিন্ন দোকানে নিয়মিত অভিযান চালালেও গত কয়েকমাস ধরে সেই অভিযান বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তাতে ক্রেতারা যেমন অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে রোগে ভুগছেন তেমনি ঠকছেনও। বাড়ছে উদ্বেগও। অসাধু ব্যবসায়ীরা যেমন প্রক্রিয়াজাত ভেজাল খাদ্য অবাধে বিক্রি করছে তেমনি মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যাকেটজাত খাবারের জিনিসও বিক্রি করছে। নানা উপায়ে মূল্যও বেশি নিচ্ছে বলে প্রতিদিনই ক্রেতারা এই অভিযোগ করছেন।শুধু তাই নয়, নানা জিনিসপত্র বিক্রির সময় ওজনেও কারচুপি করা হচ্ছে।ওজনযন্ত্রের ত্রুটি নিয়েই মালামাল বিক্রি করা হচ্ছে। পরিমাপে ওজনযন্ত্র ব্যবহারে ওজন যন্ত্র সঠিক রাখার যে নিয়ম রয়েছে তাকে অমান্য করেও বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে মালামাল পরিমাপে কারচুপি করা হচ্ছে বলে ক্রেতাসাধারণ অভিযোগ করছেন। অসাধু ব্যবসায়ীরা মেট্রোলজি তথা ওজন পরিমাপ দপ্তরে গিয়ে ওজন যন্ত্রের সঠিকভাবে পরীক্ষা না করিয়ে আনায় ওজনে ব্যাপক কারচুপিতে ক্রেতাদের ঠকানো হচ্ছে। কিন্তু এখন আর সদর এনফোর্সমেন্ট টিম ও মেট্রোলজি দপ্তর আগরতলার বাজারে বাজারে দোকানে দোকানে গিয়ে অবৈধ বিষয়ে দেখভাল ও অভিযান না করায় অসাধু ব্যবসায়ীরা নির্বিবাদে ওজনে কম দিয়ে ঠকাচ্ছে বলেও অভিযোগ।আগে হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও বিভিন্ন আইটেমের খাবারের দোকানেও নিয়মিত অভিযান করা হতো।এখন অভিযান বন্ধ থাকায় বাসি-পচা ও অস্বাস্থ্যকর খাবার অসাধু ব্যবসায়ীরা অবাধে বিক্রি করছে। হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলির খাবার তৈরির রান্নাঘর নোংরাময় ও অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় থাকলেও এনফোর্সমেন্ট টিম সেই ক্ষেত্রেও কঠোর কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ। খাবারের দোকানগুলিতে ক্রেতার জন্য বিশুদ্ধ জলেরও ব্যবস্থা রাখছে না। হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলিতে খাবারের মূল্য ও নানা ঘোষণা ক্রেতার স্বার্থে স্পষ্টভাবে লিখে টাঙিয়ে রাখার নিয়মও মানছে না। প্যাকেটজাত খাবারের নানা আইটেম বিক্রির দোকানগুলিতে অসাধু ব্যবসায়ী মেয়াদউত্তীর্ণ খাবারের জিনিসও বিক্রি করছে। প্যাকেটজাত খাবারের জিনিস বিক্রি করলেও অনেক আইটেমের প্যাকেটের উপর প্যাকেট আইনে যা যা ডিক্লারেশন থাকার কথা বহু আইটেমের প্যাকেটের উপর সেই ডিক্লারেশনও নেই। একাংশ কেক, বেকারি, মিষ্টির দোকানেও অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রি হচ্ছে। অথচ প্রশাসন এই সবের বিরুদ্ধে উপযুক্ত কঠোর কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলেও ক্রেতা সাধারণের অভিযোগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *