January 7, 2026

দেশে আমি ফিরবই: হাসিনা!!

 দেশে আমি ফিরবই: হাসিনা!!

অনলাইন প্রতিনিধি :- সমস্ত হুমকি, হুঁশিয়ারি, মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞা, বিচার প্রক্রিয়ায় ভয় উড়িয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা জানিয়ে দিলেন দেশে আমি ফিরবই। যেদিন দেশে বৈধভাবে সরকার নির্বাচিত হবে, স্বাধীন বিচারবিভাগ গঠিত হবে এবং অনির্বাচিত সরকারের পতন ঘটবে, সেদিনই অত্যন্ত আনন্দসহকারে আমি দেশে ফিরব। দিল্লীতে বসবাসকারী বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সংস্থা এএনআইকে এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, ইউনুস সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে এবং পরোক্ষ উস্কানিতেই যখন বাংলাদেশজুড়ে আওয়ামী লীগ বিরোধী শক্তিরা একজোট হয়ে নানাভাবে ভারত বিরোধিতার প্রতিযোগিতা শুরু করেছে, তিনি ভারত সম্পর্কে তার মতামত ও অবস্থান একেবারেই বদলাবেন না। এদিন তিনি বলেছেন, ইউনুস সরকার সেই ভারতের বিরুদ্ধাচারণের খেলায় নেমেছে যে ভারতের উপর বাণিজ্য অথবা স্থিতাবস্থা, সব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ অনেকটাই নির্ভরশীল। তাই ভারতের বিরুদ্ধাচারণের মাধ্যমে যে রাজনীতি ইউনুস সরকার করছে সেটা দেশের স্বার্থ বিরোধী। ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড থেকে স্পষ্ট যে, কীভাবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। হাসিনার দাবি, বাংলাদেশে কোনও সরকার দেশ চালাচ্ছে না। বাংলাদেশ এখন চালায় কিছু সন্ত্রাসবাদী ও বিভেদকামী শক্তি। মহম্মদ ইউনুস
নিজের ব্যর্থতা আড়াল করতেই এভাবে জঙ্গিদের কার্যকলাপকে অবাধ স্বাধীনতা দিয়েছেন বলে হাসিনা মনে করেন। আর এই কাজের জন্যই ২০২৪ সালের পর সমস্ত কারাগার থেকে জঙ্গি, অপরাধী, হত্যাকারী, যাবজ্জীবন অথবা ফাঁসির আসামিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই কারণে এই বাংলাদেশে চলছে জঙ্গিদের রাজত্ব। যে যা পারছে করছে। আন্তর্জাতিক দুনিয়ার কাছে হাসিনার বিচারের কোনও মূল্যই নেই বলে তিনি মতপ্রকাশ করেছেন। কারণ হিসেবে তার ব্যাখ্যা, আমাকে তো কোনও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগই দেওয়া হয়নি। এটা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। একইভাবে হাসিনার বক্তব্য, যেহেতু নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশ নিতে দেওয়া হবে না বলে ঠিক হয়েছে এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, তাই এই আসন্ন নির্বাচনের কোনও মূল্য বাংলাদেশবাসীর কাছে নেই। হাসিনার কথায়, যে দলটি নয় বার নির্বাচনে সাধারণ মানুষের বিপুল সমর্থন পেয়ে জয়ী হয়েছে, তারা যে নির্বাচনে অংশ নেবে না সেটি কোনও নির্বাচনই হবে না। এমনকী এবার নির্বাচনে সিংহভাগ ভোটারই ভোট দেবে না। ভারতের সঙ্গে আবার তিনি ক্ষমতাসীন হয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করবেন জানিয়েছেন হাসিনা। অন্যদিকে, ভারত ঢাকাকে কয়েকদিনের মধ্যেই কঠোর বার্তা দিতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। বাংলাদেশে অবাধে স্বীকৃতি পাওয়া রাজনৈতিক মহলের একাংশ ভারতের বিরুদ্ধে উস্কানি দিতেই থাকলে ভারত সহ্য করবে না। গত নভেম্বর মাসে ভারত অসামের ধুবড়ি এবং বাংলার উত্তর দিনাজপুরে নতুন দুটি সেনা ঘাঁটি চালু করেছে। এবার সীমান্ত এলাকায় আরও একঝাক আউটপোস্ট করা হচ্ছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি ভারত আবার জানাতে চলেছে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *