জাতীয় দলের আসন শূন্য হবে,এডিসি-তে ক্ষমতায় ফিরছে মথা : প্রদ্যোত!!
অনলাইন প্রতিনিধি :- এডিসিতে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরছে তিপ্রা মথা। পাহাড়ের মানুষ এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন। এমনটাই দাবি করলেন প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ। তিনি আসন্ন এডিসি জোটে জাতীয় দলের আসন শূন্য হবে। এর মানে একটি আসনও পাবে না। আজ তিপ্রা মথার সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ তার ব্যক্তিগত সামাজিক মাধ্যমে এসে শাসকদল বিজেপিকে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিজেপির একাংশ নেতা মুখ্যমন্ত্রীকে পাহাড় নিয়ে ভুল বার্তা দিচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জনসভা থেকে বিজেপির একাংশ নেতারা তিপ্রা মথা দলের নেতা মন্ত্রী বিধায়ক সমর্থকদের হুমকি দিচ্ছেন। রাজমাতা বিভূ কুমারী দেবী সহ আমাকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করছেন। মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত জনসভা থেকে তিপ্রা মথা দলকে হুমকি দিচ্ছেন। তারা জনজাতিদের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হতে দেবেন না স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছেন।
প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই দু-তিন জন বিজেপি নেতারা যদি ভাবেন তিপ্রা মথা এবং বিজেপি জোটের প্রয়োজন নেই। মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি আমাদের বলে দিতে পারেন বিজেপি তিপ্রা মথার সাথে জোটে থাকবে না। অথচ এই পথে যাবার সাহস নেই এডিসির ২৮ আসন দখলের হুমকি দেওয়া বিজেপি নেতাদের। তিপ্রা মথা এখনও জোট শরিক। কিন্তু যে ভাষায় প্রত্যেকদিন আমাদের জনসভা থেকে গালি দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের ইতিহাসে এই প্রথম জনজাতি জন সমাজকে এভাবে হুমকি ও গালি দিচ্ছেন তারা।প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ বলেন, এডিসি দখলের স্বপ্নে বিভোর বিজেপি নেতারা একটু সাহস দেখিয়ে তিপ্রা মথার সাথে জোটে থাকবেন না বলে দিন। এরপর আমি প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়ে দেবো ত্রিপুরার বিজেপি নেতারা জোট ধর্ম লংঘন করেছেন। তিপ্রা মথা-বিজেপির জোট ত্রিপুরায় থাকছে না। বিস্ময়ের ঘটনা হলো বিজেপি নেতাদের এই সাহস নেই। প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ক্ষমতা পরিবর্তনশীল। এখন ক্ষমতার দম্ভে অনেকেই হুমকি দিতে পারেন। আপনাদের কাছে যেহেতু দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে। একটু সাহস দেখিয়ে আমাকে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করেন এবং বিজেপি-তিপ্রা মথার সাথে জোটে থাকবে না বলে দিন।প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ বলেন,বেআইনিভাবে বিশ্রামগঞ্জে এডিসির জমি দখলের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিপ্রা মথা।প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে আমি ভালোবাসি এবং সম্মান করি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর পৌরহিত্যে একাংশ বিজেপি নেতারা জনজাতি মানুষের ভূমিকার অধিকার, ভাষার অধিকার, শিক্ষার অধিকার, আর্থ সামাজিক অধিকার, চাকরির অধিকার, অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের অধিকার, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা-যাতায়াত ব্যবস্থা নেই, স্বাস্থ্যের অধিকার কেড়ে নিতে চেষ্টা করছেন। যদিও ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে জনজাতিদের অধিকার ফিরিয়ে দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত সরকার।