সোমবার | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ছাত্র সম্মেলনে বললেন মুখ্যমন্ত্রী২০৩০ সালের মধ্যেই ৩য় অর্থনীতির দেশ হবে ভারত

 ছাত্র সম্মেলনে বললেন মুখ্যমন্ত্রী২০৩০ সালের মধ্যেই ৩য় অর্থনীতির দেশ হবে ভারত

দৈনিক সংবাদ অনলাইন ডেস্ক, ১৫ ফেব্রুয়ারী: আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এভিবিপি) জনজাতি ছাত্রছাত্রী সম্মেলনে অংশ নিয়ে রবিবার মুখ্যমন্ত্রী বললেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে অর্থনীতির দিক থেকে তৃতীয় স্থানে চলে আসবে ভারত। এছাড়াও তিনি এদিন বলেন, জনজাতি উন্নয়ন ও ভাষা সংরক্ষণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রাজ্য সরকার। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যুব এবং ছাত্রছাত্রীরাই অন্যতম অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ ত্রিপুরা প্রদেশের উদ্যোগে আয়োজিত রাজ্যভিত্তিক জনজাতি সম্মেলনের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা সহ অন্যরা। ভরসা বলেও মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ককবরক ভাষার উন্নয়নের জন্য নিজস্ব স্ক্রিপ্ট তৈরি করার প্রচেষ্টা করতে হবে বলে জানান।

সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা বলেন, বিশেষ করে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের যুবরা আমাদের আগামীর ভবিষ্যৎ। তাদের কথা মাথায় রেখেই বিকশিত ভারতের কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি দেশকে আরও বেশি করে শক্তিশালী করার চিন্তাভাবনা করছেন। দেশের সুরক্ষা, আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, পরিকাঠামো উন্নয়ন সহ সব বিষয়েই ১৮ থেকে ৩৫ বছরের যুবদের কথা ভেবে স্বপ্ন দেখছেন তিনি। এ কারণেই প্রধানমন্ত্রী বলছেন সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা প্রয়াস, সবকা বিশ্বাস-এর কথা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের সমস্ত কলেজগুলিতে এই ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন। বিগত দিনে এই ছাত্রছাত্রীদেরই ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা আরও বলেন, ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে একটা সুস্থিতি অবস্থা এসেছে। অথচ এর আগে দেশের কী অবস্থা ছিলো তা মানুষ জানে। অথচ বর্তমান সময়ে প্রতি মাসের শেষ রবিবার মন কি বাত কার্যক্রমে দেশের মানুষের কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশ ও রাজ্যগুলিকে কীভাবে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় সেই দিশায় কাজ করছেন তিনি। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ে চাপমুক্ত করতে পরীক্ষা পে চর্চা কার্যক্রমও শুরু করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের সকলকেই আগে দেশকে ভালোবাসতে হবে। শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের জন্যও চিন্তাভাবনা করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন স্বচ্ছ ভারত অভিযান, রক্তদান কর্মসূচি সহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের মধ্যে সব অংশের মানুষকে এগিয়ে আসার কথা বলেন। এদিন তিনি এআই (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স)-এর কথাও তুলে ধরেন। এছাড়াও অর্থনীতির কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশ এখন চতুর্থ স্থানে রয়েছে। যা আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে তৃতীয় স্থানে চলে আসবে।

সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী কিশোর বর্মণ, প্রাক্তন সাংসদ রেবতি ত্রিপুরা, এভিবিপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কমলেশ সিং, রাজ্য সভাপতি ড. দেবরাজ পানিগ্রাহি, তীর্থরাম রিয়াং, সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক রবিশংকর হালদার, অর্জুন ত্রিপুরা সহ অন্যরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *