কলকাতা, ৮ অক্টোবর- বিধানসভা নির্বাচনের আগে মালদহের মোথাবাড়ির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। এবার সেই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার মালদহের ভূতনিতে বন্যা দুর্গতদের হাতে ত্রাণ তুলে দেওয়ার কর্মসূচিতে গিয়ে তার হুঁশিয়ারি, ‘আমি বেঁচে থাকতে আর একটাও মোথাবাড়ি, কালিয়াচক হতে দেব না।’
বৃহস্পতিবার মালদহের ভূতনিতে বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে মোট ২৪২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা করেছেন। সেখানেই তিনি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে তৃণমূলের দুর্নীতি ও মিথ্যা প্রচারকে এক হাত নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গত সরকার ৬৭ হাজার ১১৩ জনকে প্রথম কিস্তির টাকা দিয়েছিল। আমরা ভেরিফিকেশনের পর ৫৬ হাজার ৭৬০টি পরিবারকে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দিয়েছি। আপনাদের বলা হয়েছিল না, বিজেপি ক্ষমতায় আসলে আবাসের টাকা মিলবে না। আমরা কোনও ভোদাভেদ করিনি। যারা ঘর তৈরি করেছেন তাদের দিয়েছি।’ হেলিকপ্টার থেকে এদিন মালদহের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন মালদহ থেকে সকলকে মিলেমিশে থাকার বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ করে করেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আপনাদের বলেছিল না, বিজেপি ক্ষমতায় আসলে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা মিলবে না। আমরা হিন্দু-মুসলিম বেছে দিইনি। যারা ঘর করেছেন তাদের সকলকে টাকা দিয়েছি।’ তবে যারা বেআইনি উপায়ে যোজনায় নাম তুলেছেন তাঁদের সকলের থেকে টাকা আদায় করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, নাবালিকা বিবাহ রোধে জনসাধারণের সাহায্য চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে তৃণমূলের দুর্নীতি ও মিথ্যা প্রচারকে এক হাত নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গত সরকার ৬৭ হাজার ১১৩ জনকে প্রথম কিস্তির টাকা দিয়েছিল। আমরা ভেরিফিকেশনের পর ৫৬ হাজার ৭৬০টি পরিবারকে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দিয়েছি। আপনাদের বলা হয়েছিল না, বিজেপি ক্ষমতায় আসলে আবাসের টাকা মিলবে না। আমরা কোনও ভোদাভেদ করিনি। যারা ঘর তৈরি করেছেন তাদের দিয়েছি।’