এসআইআর নোটিস পেয়ে ক্ষোভ বঙ্গের মন্ত্রী শশী পাঁজার

“২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আমার নাম ছিল। এসআইআর চলাকালীন সব নথি জমা দিয়েছি, তবুও আমার নাম আনম্যাপড দেখানো হচ্ছে। এটা আমার দোষ নয়। এই নোটিসই যেন তার পুরস্কার,” মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

অনলাইন ডেস্ক, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী শশী পাঁজা রবিবার জানান, রাজ্যে চলমান স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ার আওতায় তিনি একটি শুনানির নোটিস পেয়েছেন। এই পুরো প্রক্রিয়াটি তড়িঘড়ি করে এবং পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শশী পাঁজার দাবি, ২০০২ সালে রাজ্যে শেষবার এসআইআর হওয়ার সময় ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ছিল। এবারের প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দেওয়া সত্ত্বেও তাঁর নাম ‘আনম্যাপড’ হিসেবে দেখানো হয়েছে। তাঁর মতে, এতে তাঁর কোনও দোষ নেই।

“২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আমার নাম ছিল। এসআইআর চলাকালীন সব নথি জমা দিয়েছি, তবুও আমার নাম আনম্যাপড দেখানো হচ্ছে। এটা আমার দোষ নয়। এই নোটিসই যেন তার পুরস্কার,” মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

সূত্রের খবর, রবিবার বিকেলে এসআইআর শুনানিতে হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁকে। শশী পাঁজা জানান, মন্ত্রী হিসেবে কোনও বিশেষ সুবিধা তিনি নেবেন না এবং নির্ধারিত শুনানিতে উপস্থিত থাকবেন।

তিনি আরও বলেন, “এটা স্পষ্ট যে এসআইআর প্রক্রিয়া তাড়াহুড়ো করে ও অপ্রস্তুত অবস্থায় চালানো হচ্ছে। শুনানি আমার নিজের বিধানসভা এলাকায়, তাই হয়তো আমার খুব বেশি সমস্যা হবে না। কিন্তু বাংলার বহু মানুষ এই কারণে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।”

এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যও দাবি করেছেন, তিনিও এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা এসআইআর নোটিস পেয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জমা দেওয়া নথিতে কোনও ত্রুটি ছিল না এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও তাঁদের নাম ছিল।

তৃণমূলের আইটি সেলের দায়িত্বে থাকা দেবাংশু ভট্টাচার্যের অভিযোগ, বিজেপি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-ভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার কার্যকলাপ নজরে রেখে বিরোধীদের বেছে বেছে টার্গেট করছে

Sujoy Guha: