তৃণমূলের সংসদীয় দলেও কী এবার ভাঙণ? কাকলির পোস্টে জল্পনা বাড়ল

কলকাতা, ৫ জুন– বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলে আগেই ভাঙণ ধরেছে। এবার দিল্লির সংসদীয় দলেও কী ভাঙণ ধরবে? বঙ্গ রাজনীতিতে এ নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তার মধ্যে এবার লোকসভার সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সমাজমাধ্যমের একটি পোস্টের পরে সেই জল্পনা আরও বেড়েছে। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যর্থতাকে কাঠগড়ায় তুলে সরব হয়েছেন কাকলি। পূর্বতন সরকারের নীতির বিরুদ্ধেই বাংলার মানুষ রায় দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বারাসাতের সাংসদ।

            গত ২ জুন ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্না থেকে নাম না করে কাকলিকে তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেত্রীর দাবি ছিল, বিধানসভা ভোটে কাকলির পুত্রকে টিকিট দেওয়া হয়নি বলেই তিনি এখন ‘বেসুরো’ মন্তব্য করছেন। পাল্টা শুক্রবার সমাজমাধ্যমের পোস্টে কাকলি লেখেন, ‘একটি রাজনৈতিক পরিবার থেকে উঠে আসা চার বারের সাংসদ, যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকে দীর্ঘ চার দশক ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, তিনি কেবল নিজের কথা ভাবেন বলে মনে হয়? এটা আসলে নীতি এবং সরকারের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে মানুষের দেওয়া রায়।’

            লোকসভার মুখ্য সচেতকের পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার পরেই সরব হন কাকলি। মাজমাধ্যমে নিজের তীব্র হতাশা প্রকাশ করে কাকলি লিখেছিলেন, “৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।” বিতর্ক অবশ্য শুধু সমাজমাধ্যমের পোস্টেই থমকে থাকেনি। এর পরেই নদিয়ার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে দেখা যায় কাকলিকে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিস্তর জলঘোলা হয়। এর পরপরই অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে কাকলিকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাও দেওয়া হয়। স্বভাবতই বিজেপির সঙ্গে তার ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা নিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে।

Sumit Chakraborty: