বিষ্ণু শংকর বর্মা
নৈসর্গিক
জায়গায় জায়গায় মন্দিরে বসে থাকো কেন
মন্দির থেকে বেরিয়ে একটু এদিক সেদিক নজর দাও দেখি
কত অনিয়ম বিশৃঙ্খলা
চুপ করে কেমন করে বসে থাকো গো মন্দিরে
তুমি হাত বাড়ালেই আকাশ ধরো
পা বাড়ালেই আমারা সবাই ভালো হয়ে যাই
কেন চুপ করে মন্দিরে বসে থাকো বলো দেখি
দিনের রং তো বদলাতে দাওনি প্রভাতের সূর্য উদয়ের আনন্দ তো সেই একই রকম
রাত্রির আধার তো সরাওনি
তবে কেন এত বিশৃঙ্খলা দেখে চুপ করে থাকো
তোমার সামর্থ্য নেই তাও তো ঠিক না। তুমি সামর্থ্যবান। তুমি যা ইচ্ছা তাই করতে পারো
একটু কষ্ট করে মন্দির থেকে বেরিয়ে দেখো দেখি
তুমি সব স্থানেই আছ
তাহলে আমিই বা মন্দিরে যাব কেন? তোমাকে তো সব জায়গায় খুঁজে পাই না
সেটা তো আমারই অক্ষমতা
একটু কষ্ট করে মন্দির থেকে বেরিয়ে দেখো দেখি
সবকিছু ঠিক করা যায় কিনা!
উন্মেষ
মাথার উপর তোমার শীতল হাত
জুড়াই তোমার স্পর্শে,
এই হাত যেন দিগম্বরের ছাউনি
কখনো বৃষ্টি, কখনো ঝড়,কখনো উজ্জ্বল আলোর রেখা,
সবই তোমার হাতের খেলা।
যে ছাঁচেই ঢালো না কেন,
হৃদয়ের কল যেন দেয় প্রেম -ভালবাসার আলো।
তোমার হাতের শীতল স্পর্শ,
মায়ের হাতের মতো চৈতন্যের উন্মেষ জাগায়।