পরিষদীয় দলে বিদ্রোহ, দলের সব শাখা সংগঠন ভেঙে কড়া বার্তা মমতার

কলকাতা, ৩ জুন– পরিষদীয় দলে ভাঙণ আসার ফরে টালমাটাল পরিস্থিতি জোড়াফুল শিবিরে। আর সেই আবহে বেনজির পদক্ষেপ নিলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এক ঝটকায় পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত স্তরের দলীয় কমিটি এবং সমস্ত শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

            বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে জোড়াফুল শিবিরের তরফে বলা হয়েছে, ‘গভীরভাবে পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কমিটি এবং এর সমস্ত শাখা সংগঠন অবিলম্বে ভেঙে দেওয়া হল।’ এদিনই তৃণমূলের ৫৮ জন বিদ্রোহী বিধায়কের সই সম্বলিত একটি চিঠি বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে জমা পড়ে। সেই আবহে তৃণমূলের এমন পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহীদের কড়া বার্তা দিতে এবং দলের রাশ নিজেদের হাতে রাখতেই এই অল-আউট সিদ্ধান্ত নিল কালীঘাট।

            তৃণমূলের ওই পোস্টে বলা হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেস এবার প্রতিটি স্তরে দলের গভীর আত্মবিশ্লেষণ, কাজের পর্যালোচনা এবং সাংগঠনিক মূল্যায়ন করবে। এই পর্যালোচনার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই মূল দল এবং সমস্ত শাখা সংগঠনগুলিকে নতুন করে সাজানো হবে। পরবর্তীতে যথাসময়ে নতুন সাংগঠনিক কাঠামো এবং পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করা হবে। দলের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে, ‘ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে এবং নতুন উদ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়ার লক্ষ্যে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে দল দায়বদ্ধ।’ দলের বিদ্রোহী বিধায়কদের কড়া বার্তা দিতেই যে এমন একটি পদক্ষেপ তা একরকম স্পষ্ট।

Sumit Chakraborty: