হুগলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা স্থগিত, শুক্রবার ফের শুনানি ডিভিশন বেঞ্চে

কলকাতা, ১০ সেপ্টেম্বর- শুক্রবার হুগলির মাহেশে সভা করার অনুমতি পেল না কালীঘাট তৃণমূল। এই সভায় বক্তব্য রাখার কথা ছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কালীঘাট তৃণমূলের সেই কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ মামলাটি শুনবে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। তাৎপর্যপূর্ণভাবে বৃহস্পতিবার সকালেই শর্তসাপেক্ষে সভা করার অনুমতি দেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের সিঙ্গল বেঞ্চ। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। কালীঘাট তৃণমূলের সভার জন্য যে মাঠটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে তারা। রাজ্যের আর্জি, বিচারপতি ভট্টাচার্যের নির্দেশের একটি অংশ পরিবর্তন করা হোক। তারপরে বৃহস্পতিবার বিকেলেই মামলাটি শোনে ডিভিশন বেঞ্চ।

            মাহেশের জগন্নাথদেব স্নানপিঁড়ি ময়দানে কালীঘাট তৃণমূলকে সভা করার অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এই সভাস্থল ব্যবহারের অনুমতি নিয়েই ব্যাখ্যা চায় রাজ্য। মাহেশ জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষও এ নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়।  এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতি ঘুগে এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য। রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল এবং আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য যুক্তি দেন, মাহেশের যে মাঠে সভার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা ব্যক্তিগত মালিকানাধীন ধর্মীয় সম্পত্তি। মন্দির কর্তৃপক্ষ অনুমতি না দিলে সেখানে রাজ্য বা পুলিশ কীভাবে সভার ব্যবস্থা করতে পারে? এই প্রশাসনিক ও আইনি অসঙ্গতি তুলে ধরেই সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজের আর্জি জানানো হয়। শেষ পর্যন্ত সভা পিছিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

Sumit Chakraborty: