কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর– তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক কার কাছে যাবে তা নিয়ে জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলে। এদিনই নির্বাচন কমিশনের তরফে বাড়তি নথি চাওয়া হয়েছিল তৃণমূলের দুই শিবিরের কাছ থেকে। সেই নথি জমার ডেডলাইনও পার হয়ে গিয়েছে। দুই শিবিরেরই দাবি, প্রতীক তাদের কাছে থাকবে।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় আজ বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাছে যা নথি জমা দেওয়ার দিয়েছি। সেই নথির কপি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও পাঠানো হয়েছে।’ পাল্টা কালীঘাট তৃণমূল শিবিরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যা দাবি করেছেন, তাদের কাছেই থাকছে জোড়াফুল প্রতীক। ইতিমধ্যে ঋতব্রত শিবিরের দশজন বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজ করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন কালীঘাট শিবিরের বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
এই টানাপোড়েনের মধ্যে দুই শিবির থেকেই উপনির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থীর মনোনয়নে হাজির ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ শুরু হওয়ার ঠিক আগে নাটকীয় এক ঘটনা ঘটে। বহরমপুরে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মূল দলীয় কার্যালয়টি নিজেদের দখলে নিয়ে নেয় ঋতব্রত শিবির। অভিযোগ, কার্যালয়ে উপস্থিত কর্মী-সমর্থকরা আগের সমস্ত ব্যানার সম্পূর্ণ ঢেকে দেন। এরপর সেখানে টাঙিয়ে দেওয়া হয় ঋতব্রত তৃণমূলের নিজস্ব ব্যানার।