কলকাতা, ১১ মে– গত শনিবার শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া যে পাঁচজন শপথগ্রহণ করেছিলেন তাদের এদিন দপ্তর বন্টন করা হলো। সোমবার এই পাঁচ মন্ত্রীকে দপ্তর বন্টনের পাশাপাশি রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব করা হলো মনোজকুমার আগরওয়ালকে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ছিলেন তিনি।
পুর ও নগরোন্নয়ন এবং নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অগ্নিমিত্রা পালকে। পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণিসম্পদ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অশোক কীর্তনিয়াকে খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের মন্ত্রী করা হয়েছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক সামলাবেন ক্রীড়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে বাঁকুড়ার রাণিবাঁধের বিধায়ক ক্ষুদিরাম টুডু।
বাকি সব দপ্তর আপাতত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দায়িত্বে থাকছে বলেই রাজ্য সরকারের একটি সূত্রে খবর। সোমবার দুপুর ১২টায় নবান্নে মন্ত্রীসভার বৈঠক ডেকেছিলেন শুভেন্দু। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তার মন্ত্রিসভার পাঁচ সদস্য। মুখ্যসচিব এবং প্রশাসনিক আধিকারিকেরাও ছিলেন ওই বৈঠকে। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, তাঁর মন্ত্রিসভা চলবে সুশাসন এবং সুরক্ষার পথে।
অন্যদিকে, রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব হলেন মনোজকুমার আগরওয়াল। এতদিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পদে দায়িত্বপালন করেছেন তিনি। রাজ্যে বিধানসভা ভোট চলাকালীন নবান্নের আমলা মহলে অনেকেরই মনোজ আগরওয়াল ও সুব্রত গুপ্তর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে কৌতূহল ছিল। অনেকের ধারণা ছিল, ভোটের পর রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক তথা ১৯৯০ ব্যাচের আইএএস মনোজ আগরওয়াল নবান্নে ফিরতে পারেন। ইতিমধ্যে সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টার পদে নিয়ে আসা হয়েছে। সোমবার শীর্ষ আমলাদের নিয়ে শুভেন্দু যে বৈঠক করেন সেখানে মনোজকুমার আগরওয়ালের উপস্থিতির পরেই জল্পনা তৈরি হয়। অবশেষে তাকেই নিয়ে আসা হল মুখ্যসচিবের পদে।