বেলুড়, ২১ মে- মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরে এবার প্রথম বেলুড় মঠে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার হাওড়া জেলার প্রশাসনিন বৈঠকে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে বেলুড়ে যান তিনি। প্রায় ঘণ্টাখানেক বেলুড় মঠে ছিলেন শুভেন্দু। বেলুড় মঠ থেকে তাকে স্বামী বিবেকানন্দের বই এবং ফুলের তোড়া উপহার দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীও স্বামীজির আদর্শের কথা তুলে ধরেন। জানান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সেবা এবং আধ্যাত্মিকতার প্রসার হওয়া দরকার।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনের যোগ দীর্ঘদিনের। বঙ্গ সফরে এসে একাধিকবার এই বেলুড় মঠে গিয়ে তিনি দেখা করেছেন প্রেসিডেন্ট মহারাজের সঙ্গে। মন্দির দর্শন করেছেন। এবার সেই পথেই আধ্যাত্মচর্চায় অগ্রাধিকার দিলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর বেলুড় সফরে তার সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দুর কনভয় বেলুড় মঠের গেটে পৌঁছনোর পরেই তাকে ঘিরে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের উচ্ছ্বাসও ছিল চোখে পড়ার মতো। বৃহস্পতিবার বেলুড় মঠে গিয়ে মূল মন্দির এবং অন্য মন্দিরগুলি দর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে পুজোও দেন তিনি। স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির, শ্রী শ্রী মা সারদাদেবীর মন্দিরে গিয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার পর প্রণাম করেন। এরপর দেখা করেন বেলুড় মঠের অধ্যক্ষ গৌতমানন্দজি মহারাজের সঙ্গে।
বেলুড় মঠ দর্শনের একটি ভিডিয়োও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন শুভেন্দু। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘আজ বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে শ্রীশ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব, জগজ্জননী মা সারদা ও বীর সন্ন্যাসী স্বামী জীর চরণে প্রণাম নিবেদন করলাম। বেলুড় মঠ-এর সাধারণ সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী সুবীরানন্দজী মহারাজ, ও সহকারী সাধারণ সম্পাদক স্বামী বলভদ্রনন্দজী মহারাজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ওঁদের আশীর্বাদ লাভ করার সৌভাগ্য হল। তাঁদের আশীর্বাদ ও সান্নিধ্য লাভ করে আমি ধন্য।’