অনলাইন প্রতিনিধি :-২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে মানুষ পাঠাবে ভারত। এই পরিকল্পনা সম্পর্কে খোলাসা করলেন প্রাক্তন ইসরো প্রধান এ এস কিরণ কুমার। বর্তমানে ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে কর্তব্যরত এ এস কিরণ কুমার 'পঞ্চম অ্যাস্ট্রোনমিকাল সোসাইটি অব ইন্ডিয়া সিম্পোসিয়ামের' উদ্বোধন উপলক্ষে বক্তব্য রাখেন। তিনি জানান, ২০৪০ সালের মধ্যে বেশ কিছু স্পেস মিশন সম্পন্ন করবে দেশ। সুতরাং ২০৪০ সালকে লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করে চাঁদের মাটিতে নভোশ্চর নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের। তাছাড়া একটি মহাকাশ কেন্দ্র গড়ে তোলার অভিপ্রায়ে তৎপরতাও চালু রয়েছে। পিআরএল ক্যাম্পাসে মূল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পাশাপাশি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রাক্তন ইসরো প্রধান দেশের মহাকাশীয় রোডম্যাপ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ও বিস্তারিত ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি জানান নিকট ভবিষ্যতেই ভারত চন্দ্রায়ণের পরবর্তী মিশন পাঠাবে। এই মিশনে ব্যবহার করা হবে এমন একটি ল্যান্ডার এবং রোভার এবং সেগুলো নিয়ে জাপানের সাথে কাজ করছে ভারত।দেশের মহাকাশ গবেষণার পরিধি আরো বিস্তৃত হওয়ার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং বেসরকারী কোম্পানিগুলোর জন্য অন্তরীক্ষ অভিযান ক্ষেত্রে অবদান রাখার সুযোগ আরও বাড়বে। প্রাক্তন ইসরো প্রধান এ এস কিরণ কুমার আরো বলেন, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য সামাজিক লাভালাভ অর্জন এবং কোনও সামরিক ফায়দা তোলা নয়। স্বাধীনতার পর মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে ডক্টর বিক্রম সারাভাইয়ের অবদানকে স্মরণ করে এ এস কিরণ কুমার বলেন, ওই মহান বিজ্ঞানী নাগরিকদের অধিক সুবিধা প্রদানের নিমিত্তে কিভাবে মহাকাশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে সম্প্রচার যোগাযোগ এবং আবহাওয়া নজরদারি ব্যবস্থাকে উন্নত করা যায় সে রাস্তা খুঁজে বের করেছিলেন। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে সারাভাইয়ের অবদান অসামান্য বলে মন্তব্য করেন কিরণ কুমার। প্রসঙ্গত, তিনদিনব্যাপী ওই সিম্পোসিয়ামে অংশগ্রহণ করছেন দেশের প্রায় ১৫০ নামিদামি বিজ্ঞানী, প্রকৌশলবিদ, শিক্ষাবিদ, তরুণ গবেষক এবং শিল্প প্রতিনিধিগণ।