লাটে কর্মসংস্কৃতি, অফিসে গিয়ে পরিষেবা পাচ্ছেন না মানুষ

দৈনিক সংবাদ অনলাইন ডেস্ক, ১৮ ফেব্রুয়ারী: গোমতী জেলার একাধিক সরকারী দপ্তরে কর্মসংস্কৃতির চরম অবনতি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলিতে দীর্ঘদিন ধরেই এই পরিস্থিতি চলছে বলে দাবি সাধারণ মানুষের। মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা সরকারী কর্মচারীদের নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিলেও একাংশ কর্মচারী সেই নির্দেশ মানছেন না বলে অভিযোগ।

শুধু প্রশাসনিক দপ্তরই নয়, জেলার বিভিন্ন অফিসেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত সরকারী কর্মচারীদের হাউজ রেন্ট প্রদান করা হয়, যাতে তারা কর্মস্থলের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ভাড়া বাসায় বসবাস করতে পারেন। অভিযোগ, জেলায় প্রায় ৮০ শতাংশ কর্মচারী হাউজ রেন্ট গ্রহণ করলেও অধিকাংশই কর্মস্থলের নির্ধারিত দূরত্বের মধ্যে থাকেন না। এর ফলে সময়মতো অফিসে উপস্থিতি ও নির্ধারিত সময়ে দপ্তর পরিচালনা দুই ক্ষেত্রেই গাফিলতির অভিযোগ উঠছে।

এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় পরিষেবা পেতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। প্রশাসনের বিভিন্নস্তরে অভিযোগ জানিয়েও সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলছে না বলে দাবি স্থানীয়দের।

সম্প্রতি গোমতী জেলাশাসকের কার্যালয়ের পাশেই অবস্থিত রাধাকিশোরপুর তহশিল অফিসে একই চিত্র দেখতে পান মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই তহশিল অফিসের কর্মচারীরা নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে আসেন না। জানা গেছে, সেখানে দুজন মহিলা ও দুজন পুরুষ তহশিলদার কর্মরত রয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১১টার আগে অফিস খোলে না।

বুধবারও সকাল ১১টার পর একে একে তহশিলদাররা অফিসে উপস্থিত হন। প্রায়ই ফিল্ডে কাজ থাকার অজুহাতে তারা অফিসে অনুপস্থিত থাকেন বলেও অভিযোগ।

Dainik Digital: