বেঙ্গালুরুতে যৌন হেনস্তার শিকার রাজ্যের তরুণী, মামলা নিলো পুলিশ!!

অনলাইন প্রতিনিধি :-উত্তরাখণ্ডে এঞ্জেল চাকমা হত্যাকাণ্ডে এখনও ধরা পড়েনি মূল অভিযুক্ত। এইবার দক্ষিণ ভারতের বেঙ্গালুরুতে যৌন হেনস্তার শিকার হলেন ত্রিপুরার এক মেয়ে। বেঙ্গালুরুর হেবাগডি থানা এলাকায় একটি নামি বেসরকারী হাসপাতালে কর্মরত রাজ্যের মেয়েকে প্রকাশ্যেই যৌন হেনস্তা করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই মঙ্গলবার হেবাগডি থানা ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৭৫ ধারা অনুযায়ী মামলা নথিভুক্ত করেছে। মামলা নিয়ে ঘটনাস্থলে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।এঞ্জেল হত্যাকাণ্ডের পর আবারও দেশে আক্রান্ত ত্রিপুরার সন্তান। বেঙ্গালুরুর হেবাগডি থানা এলাকায় যৌন হেনস্তার ঘটনাটি হয়েছে গত ২৪ জানুয়ারী। ত্রিপুরার এক তরুণী হেবাগডি এলাকার একটি নামি' বেসরকারী হাসপাতালে স্বাস্থ্য কর্মী হিসেবে কর্মরত।গত ২৪ জানুয়ারী তিনি হাসপাতাল থেকে কাজ সেরে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। রাস্তায় একটি গাড়ি এই তরুণীর পিছু নেয়। অভিযোগ, গাড়ির মধ্যে থাকা যুবক সম্পূর্ণ বিবস্ত্র ছিলো। বার বার রাজ্যের তরুণীকে চাপ দিচ্ছিল গাড়িতে ওঠার জন্য। বহুবার ডাকতেও থাকে। প্রকাশ্যে এই ঘটনা চলতে থাকলেও কেউ রাজ্যের তরুণীকে বাঁচাতে এগিয়ে যায়নি বলেও অভিযোগ। বাধ্য হয়ে লাঞ্ছিত তরুণী মোবাইলে ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করেন। এই ভিডিও তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোেস্ট করেন। এই ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হয় বেঙ্গালুরুতে। ভিডিও নজরে যায় স্থানীয় হেবাগডি থানারও। পুলিশ এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করে। ত্রিপুরার তরুণীর কাছে যায় পুলিশ। তার কাছ থেকে ভিডিওটি সংগ্রহ করে। গোটা ঘটনার বিবরণ নেয়। এই সূত্র ধরে ঘটনস্থলের আশপাশে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। সিসিটিভি দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।ত্রিপুরার আরও একজন উত্তরপূর্ব ভারতের বাইরে হেনস্তার শিকার হলেন। গত ডিসেম্বরে উত্তরাখণ্ডে এঞ্জেল চাকমা নামে যুবককে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় উত্তরাখণ্ডের পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। মূল অভিযুকক্তত পালিয়ে যায় নেপালে বলে উত্তরাখণ্ড পুলিশের দাবি। এখনও খুনির খোঁজ পায়নি পুলিশ। এখন ত্রিপুরা তরুণী হেনস্তার ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। যদিও ত্রিপুরার তরুণীকে যৌন হেনস্তার বিষয়টি বেঙ্গালুরুতে ছড়িয়ে পড়লে ত্রিপুরার পুলিশকে এই বিষয়ে কোনোও অভিযোগ করা হয়নি বলে জানা গেছে।
Dainik Digital: