অনলাইন প্রতিনিধি :-রবিবার বিশালগড় দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের প্ল্যাটিনাম জুবিলি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে। বিশালগড়ের বনেদি স্কুলগুলির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জাঙ্গালিয়াস্থিত বিশালগড় দ্বাদশ শ্রেণী
বিদ্যালয়টি।৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে গত একমাস ব্যাপী গোটা বিশালগড় মহকুমা জুড়েই চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র তথা এলাকার বিধায়ক সুশান্ত দেবের বক্তব্য অনুযায়ী বিশালগড় দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়টি মানুষ তৈরীর কারখানা।এই বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী এখন প্রতিষ্ঠিত। তারা বর্তমানে সরকারে অথবা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের নেতৃত্ব দিচ্ছে। প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে যারা রাজ্যের বাইরে বর্তমানে বিদেশে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করে নিয়েছে তাদেরও এক ছাদের তলায় নিয়ে আসার একটা চেষ্টা করা হয়েছে এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তারা উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেনি তাদের মধ্যে অনেক প্রাক্তনী বিদেশ থেকেও অনুষ্ঠানকে সুন্দর ও সাফল্যমন্ডিত করতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তারই প্রতিফলন ঘটেছে মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার বক্তব্যে। তিনি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বলেন সারাদিন ব্যাপী ধর্মনগরে ব্যস্ত কর্মসূচি শেষে বিশালগড় দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের এই অনুষ্ঠানে যোগদান করে মনে হয়েছে যদি তিনি না আসতেন তাহলে অনেক কিছুই মিস করতেন। ওই দিক থেকে তিনি নিজেকে অনেক ভাগ্যবান বলে মনে করেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন এডুকেশন পলিসি ছাত্র-ছাত্রীদের আগের তুলনায় আরও অনেক বেশি সমৃদ্ধ করবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।তাছাড়া পরীক্ষায় ভাল নম্বরের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের গুণগত শিক্ষায় আরও বেশি সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান। তা না হলে শুধু নিজের ভবিষ্যতই সমৃদ্ধ হবে সমাজের কোনও কাজে আসবে না। স্বামী বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসগর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর উদাহরণ টেনে গোটা মহাকুমার অভিভাবক মহলকে নিজের সন্তানদের ভারতীয় উপমহাদেশে জন্মগ্রহণ করা কালজয়ী মহাপুরুষদের পথ অনুসরণ করতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।