ক্ষুব্ধ চিকিৎসকরা, মামলা সুপ্রিমে

এবার মাইনাস পেয়েও ডাক্তারিতে মাস্টার্স করার সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক, ১১ ফেব্রুয়ারীঃ দেশজুড়ে মেডিক্যাল স্নাতকোত্তর আসনের ঘাটতি মেটাতে যে কোনও নম্বরেই ভর্তির সুযোগ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। নিট স্নাতকোত্তর ২০২৫ পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণির প্রার্থীদের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণকারী পারসেন্টাইল অর্থাৎ নম্বরে শতকরা হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। গত বছর মাইনাস নম্বর নিয়েও একাধিক পড়ুয়া মাস্টার ডিগ্রিতে ভর্তি হয়েছিলেন। যা নিয়ে মামলাও গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত।

এ বিষয়ে কেন্দ্রের জবাব তলব করল শীর্ষ আদালত। তার মধ্যেই জানা গিয়েছে, ৮০০ নম্বরের মধ্যে মাইনাস ১২ পেয়েও স্নাতকোত্তর মেডিক্যাল পড়ার সুযোগ পেয়েছেন এক পড়ুয়া। তিনি ফিজিওলজি বা শারীরবিদ্যা বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তৃতীয় রাউন্ড কাউন্সেলিংয়ের পর এই তথ্য সামনে এসেছে। কেন্দ্রের এমন সিদ্ধান্তের ফলে ডাক্তারি পঠনের মানের সঙ্গে আপোস করা হয়েছে বলে অভিযোগ খোদ বর্ষীয়ান চিকিৎসক মহলের।

সূত্রের খবর, ওই পড়ুয়ার নিট স্নাতকোত্তরে র‍্যাঙ্ক ছিল ২,৩০,০৮৭। কিন্তু কাউন্সেলিংয়ের পর চেন্নাইয়ের এসিএস মেডিক্যাল কলেজে ওবিসি কোটায় ফিজিওলজিতে এমডি পড়ার সুযোগ পেয়েছেন। শুধু ওই পড়ুয়া নন। মাইনাস ৮ পেয়েও হলদয়োনির সরকারি মেডিক্যাল কলেজে এসটি কোটায় বায়োকেমিস্ট্রিতে এমডি পড়তে ভর্তি হয়েছেন আর একজন।

পুণের সিমবায়োসিস মেডিক্যাল কলেজ ফর উওম্যানে বায়োকেমিস্ট্রি নিয়েই এমডি পড়ছেন আরও এক পড়ুয়া। যার প্রাপ্ত নম্বর মাইনাস ৫। তার থেকেও চাঞ্চল্যকর, ৮০০-র মধ্যে মাত্র চার নম্বর পেয়ে রোহতকের পিজিআইএমএস-এ অত্যন্ত দুর্লভঅস্থিচিকিৎসা বা অর্থোপেডিক্সে এমএস করার সুযোগ পেয়েছেন আর একজন। যিনি ওবিসি এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতার দুটো বিভাগে সংরক্ষণের সুযোগ পেয়েছেন।

সূত্রের দাবি, চলতি সপ্তাহে বিভিন্ন নামীদামি সরকারি-বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে শেষ দিকের র‍্যাঙ্ক থেকে ২০ জন ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। যাদের র‍্যাঙ্ক ছিল ২,২৮,৩৩০ (৪১ নম্বর) থেকে ২,৩০,০৮৭ (মাইনাস ৮)। মূলত, অ্যানাটমি, ফিজিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রি মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে এই ভর্তি হয়েছে। মাত্র দু’টি ভর্তি হয়েছে অর্থোপেডিক্স এবং জেনারেল মেডিসিনে। দু’টি ক্ষেত্রেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা এবং অনাবাসী ভারতীয় কোটা কাজে লাগানো হয়েছে।

Dainik Digital: