দৈনিক সংবাদ অনলাইন ডেস্ক, ১৪ ফেব্রুয়ারী: স্বশাসিত জেলা পরিষদের নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়তেই না পড়তেই ঋষ্যমুখ ব্লক এলাকায় আটটি এডিসি ভিলেজে শাসক বিজেপি দল নির্বাচনের মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। পিছিয়ে নেই তিপ্রা মথা সংগঠনও। বিরোধী সিপিএম প্রকাশ্যে এলাকায় দেখা না গেলেও গোপনে তাদের সংগঠন সাজাতে ব্যস্ত।
নানা সমস্যায় জর্জরিত ঋষ্যমুখ ব্লক এলাকায় আটটি এডিসি ভিলেজ এলাকা। শিক্ষা স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে যোগাযোগ ব্যবস্থা বেহাল বছরের পর বছর ধরে। একই অবস্থা পানীয় জলের। জল জীবন মিশন প্রকল্পে সব বাড়িতে পানীয় জল সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। ২০১৮ সালের পর থেকে জনজাতি এলাকায় উন্নয়ন আশানুরূপ
হয়নি। এর মধ্যে খুমুলুং এডিসি এলাকায় প্রশাসনিক ক্ষমতায় আছে তিপ্রা মথা। এলাকায় এমডিসি থাকা সত্ত্বও এলাকায় মানুষের জীবন যাত্রারমান উন্নয়নের দিশা দেখাতে পারেনি। এছাড়া এলাকায় নির্বাচিত এমডিসিকে দেখা যায় না। এই নিয়ে জনজাতি এলাকার মানুষের চাপা ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এদিকে শাসক বিজেপি দল গুটি গুটি পায়ে জনজাতি এলাকার ভোটারদের প্রভাবিত করতে নানা কৌশল নেওয়া হয়েছে। সংগঠন তেমন জোরদার না থাকলেও ভোট কৌশলী হিসাবে চিন্তা ভাবনা চলছে। মণ্ডল সভাপতি নকুল পাল এবং প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি অশেষ বৈদ্য জনজাতি এলাকায় সংগঠন তেজি করতে চষে বেড়াচ্ছেন। জনসংযোগ করে যাচ্ছে।
কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের নানা জনমুখী প্রকল্পের সুফল জনজাতি গণদেবতাদের পোল্ট্রি মুরগি বিতরণ করা হয়। দশ ফেব্রুয়ারী প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের উদ্যোগে ঋষ্যমুখ ব্লকের অন্তর্গত রতনপুর কমিউনিটি হলে জাতীয় প্রাণীসম্পদ মিশনের অধীনে একদিবসীয় ব্লক ভিত্তিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রাণী সম্পদ বিকাশ যোজনায় বেনিফিসারিদের মধ্যে পোল্ট্রির বাচ্চা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঋষ্যমুখ পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান শম্ভু নাথ কর, ভাইস চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ মিত্র ঋষ্যমুখ বিএসি চেয়ারম্যান সুমন উচাই, ব্লক আধিকারিক, দীপায়ন চৌধুরী, নকুল পাল সহ আরও অনেকে। বিরোধী সিপিএম প্রকাশ্যে এখনও ভোটের প্রচারে না নামলেও গোপনে তাদের সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।