দৈনিক সংবাদ অনলাইন ডেস্ক, ১৩ ফেব্রুয়ারী: পাকিস্তানের কারাবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান কান তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তির ৮৫ শতাংশই হারিয়ে ফেলেছেন। বুধবার পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে ইমরান খানের আইনজীবীর জমা দেওয়া এক মেডিকেল রিপোর্ট থেকে একথা প্রকাশ হয়েছে।
পাকিস্তানি জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পিটিআইয়ের আইনজীবী সালমান সফদার আদিয়ালা কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে আদালতে সাত পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দেন। আদালত সফদারকে অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসাবে নিযুক্ত করে এবং তাকে কারাবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এগারো ফেব্রুয়ারীর মধ্যে একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আইনজীবী সালমান সফদারের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, ইমরান জানিয়েছেন তার রক্তজমাট বাঁধা সংক্রান্ত সমস্যায় ভোগছিলেন। কারা কর্তৃপক্ষ ইনজেকশন সহ চিকিৎসা দেওয়া সত্ত্বেও, তার ডান চোখে মাত্র পনেরো শতাংশ দৃষ্টিশক্তি রয়ে গেছে। দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে গত চব্বিশ জানুয়ারী রাতে কুড়ি মিনিটের’ চোখের চিকিৎসার জন্য রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত, তার উভয় চোখেই স্বাভাবিক ৬x৬ কারাগার থেকে বিশেষ নিরাপত্তায় ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের (পিমস) এ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে ইমরান খানের পরিবারের দাবি এ বিষয়ে আগে থেকে তাদের অবহিত করা হয়নি। এদিকে জিও নিউজের হাতে আসা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইমরান জোর দিয়ে বলেছেন, তিয়াত্তর বছর বয়স এবং একাধিক ক্ষেত্রে মামলা-মোকাদ্দমায় জড়িত থাকা সত্ত্বেও তিনি এর আগে কখনও তার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সমস্যা উত্থাপন করেননি। তবে, তার এই উদ্বেগকে সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষ গুরুত্বের সাথে নেয়নি বা সমাধান করেনি।
উল্লেখ করেছেন, সাক্ষাতের সময় তিনি ব্যক্তিগতভাবে লক্ষ্য করেছেন ইমরান দৃষ্টিশক্তি হারানো এবং সময়োপযোগী ও বিশেষায়িত চিকিৎসার অভাবে তিনি উদ্বিগ্ন এবং গভীরভাবে ব্যথিত ছিলেন।
তিনি বলেন, সাক্ষাতের পুরো সময়ে ইমরানের চোখ জলে ভরা ছিল এবং তিনি বারবার টিস্যু দিয়ে চোখ মুছছিলেন, যা শারীরিক অস্বস্তির প্রতিফলন। এদিকে ইমরানের দল পিটিআই বলেছে, তারা বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে জানতে পেরেছেন, ইমরান খানের ডান চোখে সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অঙ্কুশন (সিআভিও) ধরা পড়েছে, যার ফলে সঠিক চিকিৎসা না পেলে ইমরান খান চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন। প্রসঙ্গত, একাধিক মামলায় অভিযুক্ত পিটিআইয়ের প্রধান ইমরান খান ২০২৩ সালের আগষ্ট থেকে কারাগারে আছেন। গত ডিসেম্বর জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসাবে উল্লেখ করে ইমরান খানের সঙ্গে কারাগারে সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে পাকিস্তান সরকার।
ইমরান খানের দল পিটি আই তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রায় হারানোর জন্য দায়ী পাকিস্তান সরকার। দলের দাবি, শীঘ্র ইমরান খানের ব্যক্তিগত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাকে কারাগার থেকে একটি স্ট্যান্ডার্ড হাসপাতালে নেওয়া হোক। তার চক্ষু চিকিৎসা হোক একটি স্পেশাল মেডিকেল টিমের তত্ত্বাবধানে।
দৃষ্টিশক্তি ছিল। এরপর তিনি ক্রমাগত ঝাপসা দৃষ্টি অনুভব করতে শুরু করেন, যা তিনি বারবার তৎকালীন জেল সুপারিনটেনডেন্টকে জানান। তবে জেল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগগুলোর সমাধানের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
কারাবন্দি পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা আইনজীবী সালমান সফদারকে আরও বলেন, তিনি তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হঠাৎ এবং সম্পূর্ণরূপে হারিয়ে ফেলেন। গতমাসে পিমসে নেওয়া হলে হাসপাতালের একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মুহাম্মদ আরিফ পরীক্ষা করে তাকে জানান তার ডান চোখে রক্ত জমাট বাঁধা রয়েছে, যা উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করেছে। প্রতিবেদনে ইমরান জানিয়েছেন, প্রায় তিন থেকে চার মাস আগে ব্যারিস্টার সফদার তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, সাক্ষাতের সময় তিনি ব্যক্তিগতভাবে লক্ষ্য করেছেন ইমরান দৃষ্টিশক্তি হারানো এবং সময়োপযোগী ও বিশেষায়িত চিকিৎসার অভাবে তিনি উদ্বিগ্ন এবং গভীরভাবে ব্যথিত ছিলেন।
তিনি বলেন, সাক্ষাতের পুরো সময়ে ইমরানের চোখ জলে ভরা ছিল এবং তিনি বারবার টিস্যু দিয়ে চোখ মুছছিলেন, যা শারীরিক অস্বস্তির প্রতিফলন। এদিকে ইমরানের দল পিটিআই বলেছে, তারা বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে জানতে পেরেছেন, ইমরান খানের ডান চোখে সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্রুশন (সিআভিও) ধরা পড়েছে, যার ফলে সঠিক চিকিৎসা না পেলে ইমরান খান চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন। প্রসঙ্গত, একাধিক মামলায় অভিযুক্ত পিটিআইয়ের প্রধান ইমরান খান ২০২৩ সালের আগষ্ট থেকে কারাগারে আছেন। গত ডিসেম্বর জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসাবে উল্লেখ করে ইমরান খানের সঙ্গে কারাগারে সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে পাকিস্তান সরকার।
ইমরান খানের দল পিটি আই তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রায় হারানোর জন্য দায়ী পাকিস্তান সরকার। দলের দাবি, শীঘ্র ইমরান খানের ব্যক্তিগত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাকে কারাগার থেকে একটি স্ট্যান্ডার্ড হাসপাতালে নেওয়া হোক। তার চক্ষু চিকিৎসা হোক একটি স্পেশাল মেডিকেল টিমের তত্ত্বাবধানে।